

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রচলিত প্রথা ভেঙে দ্বিতীয়বারের মতো প্রকাশ্যে খোলা হয়েছে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্স। এরপর শুরু হয়েছে দানবাক্সে জমা হওয়া অর্থ গণনার কার্যক্রম।
শনিবার (১১ জুলাই) বেলা সোয়া ১১টার দিকে দরগাহ মসজিদের বারান্দায় মাজারের দানবাক্স (ডেক) থেকে টাকা বের করে গণনা শুরু হয়। মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনা নির্ধারণে গঠিত কমিটির ব্যবস্থাপনায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
গণনার সাথে সংশ্লিষ্টরা জানান, গণনা শেষে মোট কত টাকা পাওয়া গেছে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। পরে আগের মতোই অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা হবে।
মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনা তদারকির জন্য গঠিত কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। কমিটির সদস্যরা হলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রশাসক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের শামীম, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, মাজারের মোতোয়াল্লি পরিবারের দুই সদস্য এবং মাজার মাদরাসা ও মসজিদের দুই প্রতিনিধি। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক।
প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২২ জুন প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে মাজারের চারটি দানবাক্স এবং জেলা প্রশাসনের স্থাপন করা আরও চারটি দানবাক্সসহ মোট ৮টি দানবাক্স খোলা হয়। সেদিন নগদ ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা, ৭ আনা স্বর্ণালঙ্কার এবং দুটি সৌদি রিয়াল পাওয়া যায়।
এছাড়া জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে তৎকালীন জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম ৫ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। এতে মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা। পরে পুরো অর্থ হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর নামে সোনালী ব্যাংকের কর্পোরেট শাখায় জমা দেওয়া হয়।
