

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কয়েকদিন ধরে ঘন কুয়াশার সঙ্গে শীতের দাপটটা বেশ টের পাচ্ছে যমুনা পারের জেলা সিরাজগঞ্জের মানুষেরা। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আজ (০৩ ডিসেম্বর) সিরাজগঞ্জে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। পৌষের হাড় কাঁপানো শীতের সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে জেলার অনেক এলাকায় সূর্যের দেখা মেলেনি। এতে জনজীবন বেশ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে তাড়াশ পর্যবেক্ষণাগারের (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রিকশা শ্রমিকেরা বলেন, কয়েকদিন ধরে তীব্র শীত থাকলেও আজ সকাল থেকে ঘন কুয়ার সঙ্গে তীব্র শীত পড়েছে। এতে কাজ নেই বললেই চলে। শহরে অনেক মানুষ ঘুরতে আসে। কিন্তু শীতের কারণে শহরে মানুষের সংখ্যা খুব কম।
ব্যাটারিচালিত রিকশা চালক সুজন বলেন, সকাল থেকে বসে আছি, কোনো ভাড়া পাচ্ছি না। এভাবে চলতে থাকলে সংসার চালানো দায় হয়ে পড়বে।
বাঘাবাড়ী আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন। একারণে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ ধরা হচ্ছে।
তাড়াশ কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, কুয়াশার সঙ্গে হিমেল হাওয়াও বইছে, যে কারণে শীতের তীব্রতা বেশি। সকালে তাড়াশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন।
সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আকিকুন নাহার বলেন, প্রচণ্ড শীতে শিশু ও বয়স্ক মানুষ নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, জ্বরসহ বিভিন্ন ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। দিন দিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ শীত মৌসুমে শিশু ও বৃদ্ধদের বিশেষভাবে সতর্কতার সঙ্গে পরিচর্যার পরামর্শের করা জানিয়েছেন তিনি।
মন্তব্য করুন
