

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনী সহিংসতায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের (৪০) মৃত্যুর ঘটনায় অবশেষে তিনদিন পর হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ঝিনাইগাতী থানায় মামলাটি দায়ের করেন নিহতের স্ত্রী মারজিয়া (৩৪)। মামলায় ২৩৪জনকে নামীয় ও অজ্ঞানামা আরো ৪-৫শ’ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এতে বিএনপির বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বহু নেতাকর্মীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আইনের প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখে জামায়াতে ইসলামী এই মামলায় আইনগত লড়াই চালিয়ে যাবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আসামী ধরতে এরইমধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে। দ্রুতই আসামীদের গ্রেপ্তার করা হবে।
এদিকে, জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ঝিনাইগাতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল ও ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নাজমুল হাসানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ জানুয়ারি বিকেলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
মন্তব্য করুন
