মঙ্গলবার
২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গ্রামীণ ব্যাংকের চার কর্মকর্তার কারাদণ্ড

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

সাতক্ষীরার কলারোয়ার চন্দনপুর শাখার ১৯৩ গ্রাহকের প্রায় ৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গ্রামীণ ব্যাংকের চার সাবেক কর্মকর্তাকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা দুটি মামলায় তাদের মধ্যে তিনজনকে ৩০ বছর করে এবং একজনকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আত্মসাৎ করা অর্থের সমপরিমাণ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও দুই বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে এ রায় দেয়া হয়। খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) আদালতের বিচারক মো. আদীব আলী রায় ঘোষণার সময় কোনো আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন গ্রামীণ ব্যাংকের সাতক্ষীরা জেলার চন্দনপুর-কলারোয়া শাখার সাবেক কর্মকর্তা মো. ইনছার আলী, মমতাজ পারভিন, রনেশ বিশ্বাস ও রুনা লায়লা।

দুদকের খুলনা সমন্বিত কার্যালয়ের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. মোফাককার হোসেন মনি জানান, গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৪ সালের ৩০ মে দুদক দুটি মামলা করে। এর মধ্যে প্রথম মামলায় ১২৬ জন গ্রাহকের ৫ লাখ ৬১ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। এ মামলায় ইনছার আলী, মমতাজ পারভিন ও রনেশ বিশ্বাসকে দুটি ধারায় ১৫ বছর করে মোট ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্য মামলায় ৬৭ জন গ্রাহকের ৩ লাখ ৫৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রনেশ বিশ্বাস, ইনছার আলী ও রুনা লায়লাকে দুটি ধারায় ১৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ফলে দুটি মামলায় ইনছার আলী ও রনেশ বিশ্বাসের মোট সাজা দাঁড়িয়েছে ৩০ বছর করে। আর রুনা লায়লাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রথম মামলায় মমতাজ পারভিনও ৩০ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন।

দুটি মামলায় আত্মসাৎ করা অর্থের সমপরিমাণ টাকা আসামিদের জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা পরিশোধ না করলে আরও দুই বছর করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। মামলা দুটির বাদী ছিলেন দুদকের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক এসএম শামীম ইকবাল।

দুদক ও আদালত সূত্র থেকে জানা যায়, গ্রামীণ ব্যাংকের চন্দনপুর-কলারোয়া শাখায় দায়িত্ব পালনকালে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। তদন্ত শেষে দুদক পৃথক দুটি মামলা করে। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাদের দণ্ড দেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত না থাকায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন