

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় স্থানীয় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডের পর ওই বাড়িতেই ইয়াবা সেবন ও শষা-খেজুর খেয়ে গোসল করেন হত্যাকারী।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে জরুরী সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ। নিজ বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় গলায় গামছা ও রশি পেঁচিয়ে তাদের হত্যা করা হয় বলেও জানান তিনি । গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- একই এলাকার সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাস নামে দুই যুবক। ইয়াবা সেবনের আলামত থেকেই পুলিশ অভিযান শুরু করলে ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ কমিশনার জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত শেষ রাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ পাশের বিল্ডিং দিয়ে ওই শিক্ষকের বিল্ডিং-এর ছাদে এসে ইয়াবা সেবন করতে প্রবেশ করেন। পরে ছাদে বসেই তারা ইয়াবা সেবন করলে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী টের পেলে উপরে যান।
এক পর্যায়ে তাদের সামনে ওই শিক্ষক গেলে খুনিরা তাদের পরিচয় সমাজে জেনে যাওয়ার ভয়ে শিক্ষকের গলার গামছা কেড়ে নিয়ে সেই গামছা পেঁচিয়েই তাকে হত্যা করে। পুলিশ আরো জানায়, গণপতি চক্রবর্তী বাঁচার আকুতি করে চিৎকার করলে শব্দ শুনে তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় সিঁড়িতেই পুরনো গামছা পেচিয়ে তাকেও হত্যা করা হয়।
একে একে মায়ের চিৎকার শুনে মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী এগিয়ে আসলে তাকেও গামছা পেঁচিয়ে প্রথমে হত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় খুনিরা। পরে গামছা ও রশি পেঁচিয়ে প্রার্থীকে হত্যা করা হয়। আসামিদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী প্রার্থীকে হত্যা করতে প্রায় চার থেকে পাঁচ মিনিট সময় ব্যহত হয়। এদের তিনজনের মৃত্যুর পর ঘুমন্ত অবস্থায় শিশু প্রিয়মকে হত্যা করে এই দুই যুবক। তার তার মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলায় কাপড় পেঁচিয়ে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয় বলেও জানিয়েছে পুলিশ।


