শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামেক'র নির্মাণে ধীরগতি, শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের হতাশা

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:২১ পিএম
expand
রামেক'র নির্মাণে ধীরগতি, শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের হতাশা

দেশের ২৯তম সরকারি মেডিকেল কলেজ রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের (রামেক) স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণকাজ অনুমোদনের পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও মাঠে কার্যত কোনো অগ্রগতি হয়নি। এতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়রা হতাশ হয়ে পড়েছেন।

২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করলেও এতদিনেও আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, হোস্টেল, ল্যাব, লাইব্রেরি বা অডিটোরিয়ামের ব্যবস্থা হয়নি। বর্তমানে এক ছাদের নিচে ক্লাস, পরীক্ষা ও অফিস চালাতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা মারাত্মক ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।

গত বছরের সেপ্টেম্বরেও শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও গণপূর্ত ভবন ঘেরাও করে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের দাবি জানান। এরপর চলতি বছরের মার্চে একনেকে রামেকসহ হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজ নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদিত হয়। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ শেষ হলেও এখনও কাজ শুরু হয়নি।

রামেকের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. প্রীতি প্রসূন বড়ুয়া বলেন, “অনুমোদন পেয়ে আমরা উচ্ছ্বসিত হয়েছিলাম। কিন্তু দীর্ঘসূত্রতায় এখন শিক্ষার্থীরা মাইগ্রেশন করে অন্য কলেজে চলে যাচ্ছেন।”

গণপূর্ত বিভাগের এক কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, রাঙামাটির নির্বাহী প্রকৌশলী শর্মী চাকমা শারীরিক অসুস্থতার কারণে নিয়মিত অফিসে আসেন না। এ কারণে প্রকল্পের কাজ অচল হয়ে আছে। স্থানীয় ঠিকাদাররাও অভিযোগ করেছেন, প্রাক্কলন ও টেন্ডারের কাজ শুরু হয়নি।

শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের দাবি, প্রকল্পের গতি ফেরাতে শারীরিকভাবে সক্ষম ও কর্মক্ষম একজন প্রকৌশলীকে রাঙামাটিতে নিয়োগ দেওয়া জরুরি। নইলে ২০২৮ সালে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই অর্ধেক কাজও সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না।

রাঙামাটির মানুষের এখন একটাই প্রত্যাশা—স্থায়ী ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত শুরু হোক এবং দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটুক।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন