

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরি থেকে পদ্মা নদীতে লাফ দিয়ে নিখোঁজ হওয়া রেজাউল শিকদার (৩৫)-এর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের সেলিমপুর চর এলাকা থেকে নৌ পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
নিহত রেজাউল শিকদার গোয়ালন্দ উপজেলার বাহির দৌলতদিয়া শাহাদৎ মেম্বারপাড়ার বাসিন্দা মৃত মহিউদ্দিন শিকদারের ছেলে। পরিবারের সদস্যরা সোমবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের বড় ভাই মোস্তফা শিকদার জানান, ফরিদপুর নর্থচ্যানেল এলাকার এক স্থানীয় ব্যক্তি তাঁকে ফোন করে লাশ ভেসে ওঠার খবর দেন। পরে স্বজনেরা ফরিদপুরের সি অ্যান্ড বি ঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন।
লাশের পরনে থাকা নীল জিনস প্যান্ট, নীল শার্ট এবং পকেটে থাকা কাগজপত্র দেখে রেজাউল শিকদারের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
ফরিদপুর সি অ্যান্ড বি ঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক নাসিম আহম্মেদ জানান, কয়েক দিন পানিতে থাকার কারণে লাশটি অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, গত মঙ্গলবার বিকেলে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে একটি ফেরির পন্টুনে জুয়াড়ি চক্রের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে রেজাউল শিকদার পদ্মা নদীতে লাফ দেন। তবে নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে, প্রতিপক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে তাঁকে নদীতে ফেলে দিয়েছে।
নিহতের বড় ভাই হারুন শিকদার ও রবিউল শিকদার জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে স্থানীয় একটি পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের দ্বন্দ্ব চলছিল। তাঁদের ধারণা, ওই বিরোধের সুযোগ নিয়ে পরিকল্পিতভাবে রেজাউলকে নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়েছে।
নিখোঁজের পর ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দল টানা দুই দিন উদ্ধার অভিযান চালালেও রেজাউল শিকদারের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন