

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পাবনা সদর উপজেলায় শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসে তুহিন খা (২০) নামে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পুকুরের ডোবা থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার গলায় গামছা পেঁচানো ছিল। শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের নলদহ পূর্বপাড়া লালগোলা এলাকার মসজিদের পাশে থেকে থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত তুহিন খা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের টাটিপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমান ওরফে হাবি খার ছেলে। তার শ্বশুরের নাম আবতার হোসেন। তিনি নলদহ লালগোলা এলাকার দুবাই প্রবাসী। স্ত্রীর নাম আফসানা খাতুন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার তুহিন শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। সন্ধার দিকে স্ত্রী আফসানার সঙ্গে ঝগড়াও হয়েছিল। স্থানীয়রা সকালে পুকুরের ডোবায় মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের গলায় গামছা পেঁচানো ছিল। তবে পুলিশের দাবি সে মসজিদের বারান্দায় আত্মহত্যা করেছে। সে বিভিন্ন ধরনের নেশায় আক্রান্ত ছিল। গতকাল শ্বশুর বাড়িতে এসে স্ত্রীর সাথে নেশাদ্রব্য খাওয়া নিয়ে বাকবিতন্ডাও হয়েছিল। পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সে ব্যক্তি মসজিদের বারান্দায় রাতে আত্মহত্যা করেছে। রাত দুইটার দিকে আমরা খবর পাই। আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর মরদেহ খুঁজে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় লোকজন তার মরদেহ পুকুরে ফেলে দেয়। পরে সকালে মরদেহ পুকুরে ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। এরপর পুলিশের টিম পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ঘটনা তদন্ত করা হবে। এরপরই মৃত্যুর আসল রহস্য জানা যাবে।