

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে যাচ্ছেন ময়মনসিংহের ভালুকার ভোটাররা।
এ নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এটিই প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
যদিও শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। তবু দলটির সমর্থকরাই শেষ পর্যন্ত বিজয়ী নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। ভোটের আর এক মাসেরও কম সময় বাকি রয়েছে। বিভিন্ন দিক থেকে ময়মনসিংহ জেলার মধ্যে ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) সংসদীয় আসনটি গুরুত্বপূর্ণ।
এ আসনটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৬শ ৫৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭শ ৯৯ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৮০ হাজার ৮শ ৬০ জন। একটি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই সংসদীয় আসনটি বরাবরই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত।
এ নির্বাচনে ভালুকা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন পাঁচজন প্রার্থী। তারা হলেন, বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু, স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম, গণঅধিকার পরিষদের প্রফেসর আনোয়ারুল ইসলাম হোসেন বিদ্যুৎ, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির ডা. জাহিদুল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের মোস্তফা কামাল কাশেমী।
সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভালুকা আসনে পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে দুইজন প্রার্থীকে নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলমের নাম।
এই দুই প্রার্থীকে কেন্দ্র করে ভালুকা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হাট-বাজার, দোকানপাট, চায়ের দোকান ও আড্ডায় চলছে ভোটারদের আলোচনা। ওই আসনটিতে বড় একটি ভোটব্যাংক রয়েছে আওয়ামী লীগের। আওয়ামী লীগ সমর্থকরা ভাববেন-ভবিষ্যতের জন্য বিএনপি না স্বতন্ত্র প্রার্থী কাকে বেছে নেবেন ভোটাররা।
মন্তব্য করুন
