

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় কুষ্টিয়া থেকে আনা একদল শ্রমিককে চুক্তি অনুযায়ী কাজ না দিয়ে ফিরে যেতে বলা হয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট কন্ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে। এতে শ্রমিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী, নদী থেকে মালামাল এনে শেডে সংরক্ষণ করলে প্রতি বস্তা বাবদ ৫ টাকা ৫০ পয়সা এবং ট্রলি, পিকআপ, অটো, ভ্যান বা সাইকেলের মাধ্যমে মালামাল শেড ও প্রিকুলে সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ করলে প্রতি বস্তা বাবদ ৩ টাকা ৬০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
এছাড়া শ্রমিক আনার জন্য প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষকে অগ্রিম গাড়ি ভাড়াসহ ২ লাখ টাকা প্রদান করবে—এ মর্মে উভয় পক্ষ স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) বিকেলে উপজেলার বাঘিয়া বাজার এলাকার মদিনা কোল্ড স্টোরে গিয়ে দেখা যায়, শ্রমিক সরদার ফজলুর রহমান তার সঙ্গে আনা শ্রমিকদের নিয়ে কাজের অপেক্ষায় বসে আছেন। তাদের দাবি, চুক্তি অনুযায়ী কাজ দেওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো কাজ দেওয়া হয়নি।
শ্রমিক সরদার ফজলুর রহমান বলেন, “আমি গত ৯ বছর ধরে মদিনা কোল্ড স্টোরে শ্রমিক সরবরাহের কাজ করছি। এ বছরও কন্ট্রাক্টর মজিবুর ও মহিউদ্দিনের সঙ্গে স্ট্যাম্পে চুক্তি করে কুষ্টিয়া থেকে ১৬ জন শ্রমিক নিয়ে আসি। কিন্তু এখন আমাদের কোনো কাজ না দিয়ে চলে যেতে বলা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “শ্রমিকদের নিয়ে আসতে আমার প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এখন যদি কাজ না পাই, তাহলে এই টাকা কীভাবে উঠবে, তা নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় আছি।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কন্ট্রাক্টর মজিবুর বলেন, “তাদের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। তবে কিছু সমস্যার কারণে তাদের কাজ দেওয়া সম্ভব হয়নি। আমরা বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি।”
মদিনা কোল্ড স্টোরের ম্যানেজার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শ্রমিকদের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছিল এবং বিষয়টি নিয়ে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। দ্রুত সমাধান না হলে তারা আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন