

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের ঢালিকান্দি এলাকায় একটি পরিত্যক্ত মুদি দোকান থেকে তিন বালতি তাজা ককটেল ও বেশ কয়েকটি চোরাই ব্যাটারি উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী।
উদ্ধার হওয়া বালতিগুলোতে আনুমানিক অর্ধশতাধিক ককটেল থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, চরাঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা এড়াতে কয়েকদিন ধরে এলাকায় টহল জোরদার করা হয়। এরই অংশ হিসেবে শনিবার রাত ৯টার দিকে ঢালিকান্দি এলাকায় মানিক শিকদারের বাড়িতে অভিযান চালান সেনাসদস্যরা। পরে পাশের একটি পরিত্যক্ত মুদি দোকানের ভেতরে তিনটি লাল প্লাস্টিকের বালতি দেখতে পেয়ে সন্দেহ হলে তল্লাশি চালানো হয়।
এ সময় বালতিগুলো থেকে তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়। একই স্থান থেকে মোবাইল টাওয়ারে ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি চোরাই ব্যাটারিও উদ্ধার করা হয়।
১৯ বীর মাওয়া সেনানিবাসের সিও লেফটেন্যান্ট কর্নেল আকিব জাভেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উদ্ধারকৃত আলামত স্থানীয় থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সম্প্রতি এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে পক্ষ-বিপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। শনিবার সন্ধ্যায় নোয়াদ্দা এলাকায় মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের পরাজিত এমপি প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের সমর্থকদের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় মোফাজ্জল, তার ছেলে জুয়েল ও মানিক শিকদারের নাম উল্লেখ করেন তারা। পরে খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ককটেল উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলেও জানান বাসিন্দারা।
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত টহল ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি। গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী বলেন, জেলার পরিবেশ শান্ত ও সুষ্ঠু রাখতে জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা বা সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন
