

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মাদারীপুরে তিন মাস বয়সী কন্যাশিশুকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে রহিমা আক্তার নামে এক নারীর বিরুদ্ধে।
তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, রহিমা আক্তার দীর্ঘদিন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে শিবচর পৌরসভার উপশহর এলাকার ময়নাকাটা নদী থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে দুপুরে রহিমা আক্তার অভিযোগ করেছিলেন, দুর্বৃত্তরা তাকে অচেতন করে শিশুটিকে কেড়ে নিয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে শিশুকে কোলে নিয়ে ঘর থেকে বের হন রহিমা। পরে তিনি জানান, পথে দুর্বৃত্তরা তাকে অজ্ঞান করে শিশু ছিনিয়ে নেয়। তবে দুপুরে তিনি একাই বাসায় ফিরে আসেন। স্বজনরা সন্দেহ করলে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। ছয় ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে নদী থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে রহিমা স্বীকার করেন, তিনি নিজেই মেয়েকে নদীতে ফেলে দিয়েছেন। পুলিশ রাত সাড়ে ৮টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
শিশুর বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমার স্ত্রী দুই মাস ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ। সকালে মেয়ে নিয়ে বের হলেও পরে একা ফিরে আসে। মেয়ের কথা জানতে চাইলে আমার স্ত্রী জানায় রাস্তার মাঝে কেউ তাকে অজ্ঞান করে শিশুটিকে চুরি করে নিয়ে গেছে। পরে রাতে উদ্ধার হয় আমার মেয়ের মরদেহ।
মাদারীপুরের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (শিবচর সার্কেল) মো. সালাউদ্দিন কাদের বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে পুলিশ তদন্ত করে। পরে মাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি নদীতে তার মেয়েকে ফেলে দিয়েছেন বলে স্বীকা করেন। রাতে উদ্ধার করা হয় শিশুটির মরদেহ। লাশটির সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন
