

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রবাসীদের পাঠানো কষ্টার্জিত আয়ে কেবল পরিবারের সচ্ছলতাই ফেরে না, মাঝেমধ্যে তা বয়ে আনে অভাবনীয় চমক। তেমনই এক ভাগ্যের দেখা পেলেন মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার শেখপুর বাজারের বাসিন্দা মোসা. রাবেয়া। মালয়েশিয়া প্রবাসী স্বামী মোমিনুল শিকদারের পাঠানো রেমিট্যান্সের কল্যাণে 'বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক রেমিট্যান্স উৎসব-২০২৬'-এর লটারিতে মেগা পুরস্কার হিসেবে একটি মোটরসাইকেল জিতে নিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৬ মে) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক বাজিতপুর শাখায় আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে বিজয়ীর হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, বাজিতপুর শাখার ব্যবস্থাপক সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কাজী মোহাম্মাদ নজরে মঈন, মুখ্য আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক, মাদারীপুর,আলাউদ্দিন আহমেদ, আঞ্চলিক নিরীক্ষা কর্মকর্তা।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেন, রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অক্লান্ত পরিশ্রম দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ দেশের রিজার্ভকে শক্তিশালী করছে। প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে কৃষি ব্যাংক নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশব্যাপী 'রেমিট্যান্স উৎসব-২০২৬' পালিত হয়। এই ৪০ দিনে যারা কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে বৈধ পথে রেমিট্যান্স গ্রহণ করেছেন, তাদের নিয়ে একটি লটারির আয়োজন করা হয়। সারা দেশের ১ হাজার ৩৮টি শাখার গ্রাহকদের মধ্য থেকে মোট ৪০ জন বিজয়ীকে নির্বাচন করা হয়, যার মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে বাজিতপুর শাখার গ্রাহক রাবেয়া।
পুরস্কার পেয়ে উচ্ছ্বসিত রাবেয়া বলেন, "স্বামী বিদেশ থেকে টাকা পাঠিয়েছেন, তার বিনিময়ে এত বড় উপহার পাব তা কখনো ভাবিনি। প্রথমে খবরটি শুনে বিশ্বাসই করতে পারিনি। ব্যাংকের কর্মকর্তারা যখন বাড়ি গিয়ে নিশ্চিত করলেন, তখন আমাদের খুশির সীমা ছিল না। বৈধ পথে টাকা পাঠিয়ে এমন সম্মান পাওয়ায় আমি কৃষি ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ।"
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার শারমিন আক্তার, অফিসার মো. বিপুল হোসেন, সাজ্জাদ মাহমুদ, ক্যাশ কর্মকর্তা বাসুদেব কুমার দাসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।