

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


‘যেখানে সাঁইর বারামখানা’ আধ্যাত্মিক এই বানীকে ধারণ করে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ার বাউল সম্রাট ফকির লালন সাঁইয়ের আঁখড়াবাড়িতে শুরু হওয়া তিনদিন ব্যাপী লালন স্মরণোৎসবের অনুষ্ঠান শেষ হচ্ছে আজ।
শুক্রবার বিকেলে রাখাল সেবা ও রাতে অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সাধুসঙ্গ। শনিবার সকালে বাল্যসেবা ও দুপুরে পূর্ণসেবার মধ্য দিয়ে মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেও আজ রাতে লালন আঁখড়াবাড়ির মূল মঞ্চে আলোচনা সভা ও গানের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে তিন দিনের এই স্মরণোৎসব। তবে লালন মেলা চলবে আরও কয়েকদিন।
এবার স্মরণোৎসবে যোগ দিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আঁখড়াবাড়িতে ছুটে এসেছিলেন লাখ লাখ লালন অনুসারী, সাধু-গুরু, বাউল ও ভক্তরা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লালন দর্শনে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে, তাই এবারের আয়োজনে ছিল প্রতি বছরের চেয়ে বেশি ভিড়।
দর্শনার্থীরা বলছেন, দিন দিন ছড়িয়ে পড়ছে লালনের অহিংস ও মানবতাবাদী দর্শন।তরুণ প্রজন্মের মাঝেও তার গান ও ভাবধারার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।
আঁখড়াবাড়িতে আসা ফকির এনাম সাঁই বলেন,আসলে এখানে সাধু গুরুদের যে মায়া জড়িয়ে আছে সেই মায়া ত্যাগ করে ফিরে যাওয়াটা খুব কঠিন। তবুও যেতে তো হবেই। তবে এই যাওয়া মানে একবারে প্রস্থান নয়। আবারও দোল পূর্ণিমার উৎসবে আসার আকাঙ্খা নিয়ে বিদায় নেওয়া।
কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফিন বলেন, এ আয়োজন শুধু আধ্যাত্মিক নয়, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও প্রতীক। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেছে।
মন্তব্য করুন