বৃহস্পতিবার
১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশজুড়ে রয়েছে কুষ্টিয়ার গরুর চাহিদা, শেষ মুহূর্তে পরিচর্যায় ব্যস্ত খামারিরা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ০৬:৪১ পিএম
ছবি সংগৃহীত
expand
ছবি সংগৃহীত

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ায় কোরবানির পশু প্রস্তুতে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। দেশজুড়ে কুষ্টিয়ার গরুর আলাদা সুনাম থাকায় এবারও ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলার চাহিদা পূরণে প্রস্তুত করা হয়েছে দুই লাখ গবাদিপশু।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্য মতে, জেলার ৬টি উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১৯ হাজার খামার রয়েছে। এসব খামারের পাশাপাশি অনেকে ঘরোয়া পরিবেশেও গরু লালন-পালন ও মোটাতাজা করছেন। দেশীয় জাতের গরুর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এ বছর পশু পালনে আগ্রহও বেড়েছে।

ইতোমধ্যেই জেলার কয়েকটি পশুর হাটে কেনাবেচা শুরু হয়েছে। ঈদের আগেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কুষ্টিয়ার গবাদিপশু সরবরাহ শুরু করবেন ব্যবসায়ীরা।

খামারিরা জানান,প্রাকৃতিক পরিবেশে লালন-পালন করা কুষ্টিয়ার গরুর প্রতি ক্রেতাদের বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। বর্তমানে পশু হাটে তোলার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। তবে গো খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।

তাদের ভাষ্য, খাদ্য ও পরিচর্যার খরচ অনেক বেড়ে গেছে। ফলে বাজারে ভালো দাম না পেলে লোকসানের আশঙ্কাও রয়েছে।

জারিন এগ্রো ফার্মের ম্যানেজার রাশিদুল ইসলাম চমন বলেন, কুষ্টিয়ার গরু দেশীয় ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে লালন-পালন করায় ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয়। তবে কোরবানির আগে দেশের বাইরে থেকে যেন পশু আমদানি না করা হয় এবং চোরাই পথে গরু আসা বন্ধে সরকারকে কঠোর নজরদারির অনুরোধ জানান তিনি।

কুষ্টিয়া জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আল মামুন হাসান মণ্ডল জানান,এ বছর ২ লাখ পশু প্রস্তুত রয়েছে। কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক বা ভেজাল খাদ্য ব্যবহার ছাড়াই দেশীয় পদ্ধতিতে গবাদিপশু মোটাতাজা করার জন্য খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এবার খামারিরা পশুর ন্যায্যমূল্য পাবেন বলেও আশা করেন তিনি।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
UPCOMING
France VS England
Scheduled
19 Jul, 03:00 AM
VS
World Cup