

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে নিয়মিত টিকার পরিবর্তে জলাতঙ্কের দুই ডোজ টিকা দেওয়া শিশুটি সুস্থ আছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকালে সুস্থতার কথা একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন শিশুটির বাবা ফারুক আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘আমার সন্তান এখন সুস্থ আছে। টিকা দেওয়ার পর থেকে কোনও সমস্যা হয়নি। আজ দুপুরে সন্তানের খোঁজখবর নেওয়ার জন্য জেলা সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জুসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসেছেন।’
এর আগে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য পরিদর্শক মোহাম্মদ কাইয়ুম শিশুটিকে নিয়মিত টিকার পরিবর্তে জলাতঙ্কের দুই ডোজ টিকা দেন। এ ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
শিশুটির বাবা বলেন, ‘নিয়মিত টিকা দেওয়ার জন্য আমার সন্তানকে ওই দিন প্রথম হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে নিয়মিত বিসিজির টিকার পরিবর্তে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য পরিদর্শক মোহাম্মদ কাইয়ুম ভুলক্রমে জলাতঙ্কের টিকা দেন। এ নিয়ে তখন আমরা প্রতিবাদ করলে খারাপ আচরণ করেন।’
শিশুটির পরিবার জানায়, এক মাস বয়সী ফাতিহাকে নিয়মিত টিকা দিতে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান মা। সেখানে টিকা দেওয়ার কথা স্বাস্থ্য পরিদর্শক নুরুল ইসলামের। কিন্তু তিনি উপস্থিত না থাকায় পিআরএলে থাকা স্বাস্থ্য পরিদর্শক কাইয়ুমকে ডেকে আনেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা লুৎফর রহমান আজাদ। এ সময় কাইয়ুম শিশুটিকে দুই ডোজ কুকুরের র্যাবিস ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেন।
ঘটনার পর এ বিষয়ে স্বাস্থ্য পরিদর্শক মোহাম্মদ কাইয়ুম বলেছিলেন, ‘ভুল করে হামের টিকার পরিবর্তে জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া হয়েছে। এটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। আমি ভুলে এটি করে ফেলেছি। এজন্য দুঃখিত।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান আজাদ বলেন, ‘ঘটনাটি ছিল অনাকাঙ্ক্ষিত। মোহাম্মদ কাইয়ুম অবসরে চলে গেছেন। টিকা কার্যক্রম চালানোর জন্য তাকে নিয়ে আসা হয়েছিল। আরও সতর্ক হওয়া দরকার ছিল আমাদের। তবে এই টিকা দেওয়ায় কোনও সমস্যা হবে না।’
