বৃহস্পতিবার
২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
দৌলতদিয়ায় বাসডুবি  

সৌহার্দ্য পরিবহনে কুষ্টিয়া থেকে ওঠা ১৪ যাত্রীর ৩ জন নিখোঁজ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১:১২ পিএম
কুমারখালী পৌর বাস টার্মিনালে সৌহার্দ্য পরিবহনের কাউন্টার
expand
কুমারখালী পৌর বাস টার্মিনালে সৌহার্দ্য পরিবহনের কাউন্টার

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরিতে উঠতে গিয়ে উল্টে পদ্মা নদীতে পড়ে গেছে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস। এতে চালক হেল্পারসসহ অন্তত ৫০ জন যাত্রী ছিল বাসটি।

বাসটি বুধবার (২৫ মার্দুচ) দুপুর আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌর বাস টার্মিনাল থেকে শিশুসহ ৮জন যাত্রী নিয়ে ছেড়ে গিয়েছিল। এরপর বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায় বাসটি।

সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সৌহার্দ্য পরিবহনের কুমারখালী বাস কাউন্টার মাস্টার তন্ময় আহমেদ। তিনি বলেন, দুপুর আড়াইটার দিকে ৬ জন যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায়। এরপর খোকসা থেকে ৭ জন, মাছপাড়ার ৪ জন, পাংশার ১৫জন, চালক, হেল্পারসহ মোট ৫০ জন ছিলেন। তাঁর ভাষ্য, ৪০ সিটের বাসে মোট ৫০ জন ছিল। ব্রেক ফেল করে গাড়িটি নদীতে নেমে গেছে।

তবে কুষ্টিয়ার কুমারখালী বাস টার্মিনাল থেকে ওঠা ৮ জনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন, গিয়াস উদ্দিন রিপন (৪৫), তার স্ত্রী লিটা খাতুন (৩৭), ছেলে আবুল কাসেম সাফি (১৭) ও মেয়ে আয়েশা বিনতে গিয়াস (১২) এর মধ্যে গিয়াস উদ্দিন রিপনের মেয়ে আয়েশা বিনতে গিয়াস (১২) এখনো নিখোঁজ রয়েছে। গিয়াস উদ্দিন ঢাকার তাকাওয়া ফুডের মালিক, তার বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা সমসপুর এলাকায়।

ওপর যাত্রীরা হলেন, মো. নুরুজ্জামান সাহেদ (৩২), স্ত্রী আয়েশা আক্তার (৩০), মেয়ে নাওয়ার আক্তার (৪) ও ৭ মাস বয়সী আরশান, তাদের মধ্যে স্ত্রী আয়েশা আক্তার ও সাত মাস বয়সী মেয়ে আরশান নিখোঁজ রয়েছেন। মো. নুরুজ্জামান সাহেদ ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তার বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা খোন্দকবাড়িয়াতে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমারখালী থানার ওসি (তদন্ত) মো. আমিরুল ইসলাম জানান,"সৌহার্দ্য পরিবহন আজ ২ টা ২০ মিনিটের সময় কুমারখালী থেকে ৬ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি ঢাকার উদ্দেশে যাওয়ার পথে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় দুর্ঘটনায় কবলে পড়ে এবং ঘটনায় ১টি শিশু নিখোঁজ রয়েছেন।"

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন