বুধবার
১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বুধবার
১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় মেধা তালিকায় প্রথম মাহিরা ফাইরুজ ও তাহসান ইসলাম

যশোর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১০ জুন ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম
ইন্টারন্যাশনাল পিস ফাউন্ডেশনের সমন্বিত মেধা তালিকায় যশোর শাখার ৩২ শিক্ষার্থীর কৃতিত্ব
expand
ইন্টারন্যাশনাল পিস ফাউন্ডেশনের সমন্বিত মেধা তালিকায় যশোর শাখার ৩২ শিক্ষার্থীর কৃতিত্ব

ইন্টারন্যাশনাল পিস ফাউন্ডেশনের আওতাধীন দেশের সব শাখার প্রথম প্রান্তিক পরীক্ষার সমন্বিত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যশোর শাখার ৩২ জন শিক্ষার্থী জাতীয় সমন্বিত মেধা তালিকায় স্থান অর্জন করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে। এ অর্জনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

প্রকাশিত ফলাফলে প্লে শ্রেণি থেকে ৫ জন, নার্সারি থেকে ৫ জন, কেজি থেকে ২ জন, প্রথম শ্রেণি থেকে ৬ জন, দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে ১ জন, তৃতীয় শ্রেণি থেকে ৪ জন, চতুর্থ শ্রেণি থেকে ২ জন এবং পঞ্চম শ্রেণি থেকে ৭ জন শিক্ষার্থী মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছে।

সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছে জাতীয় পর্যায়ে। চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহিরা ফাইরুজ এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. তাহসান ইসলাম নিজ নিজ শ্রেণিতে জাতীয় সমন্বিত মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটির জন্য গৌরব বয়ে এনেছে।

প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান আবু ফয়সাল বলেন, আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, নেতৃত্বগুণ ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় বলেই শিক্ষার্থীরা জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে পারছে।

প্রিন্সিপাল শারাফাত হোসেন বলেন, “৩২ জন শিক্ষার্থীর এই সাফল্য মহান আল্লাহর অশেষ রহমত, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিক পরিশ্রম এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার ফল। আমরা ভবিষ্যতেও মানসম্মত ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।”

শিক্ষাবিদ আব্দুল হান্নান বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে দক্ষ নাগরিক গড়ে তুলতে যে ধরনের আধুনিক শিক্ষা পরিবেশ প্রয়োজন, ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ তা সফলভাবে নিশ্চিত করছে এবং যশোরের শিক্ষা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

অভিভাবকদের মধ্যেও এ সাফল্য ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করেছে। অভিভাবক ড. মেহেনিয়াজ উম্মে তাবাসসুম বলেন, শুধু ভালো ফলাফল নয়, শিক্ষার্থীদের চারিত্রিক ও নৈতিক বিকাশেও প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত আন্তরিক। অন্যদিকে হুমায়ুন কবির মিলন বলেন, শিক্ষকদের আন্তরিকতা, আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি ও নিয়মিত মূল্যায়ন ব্যবস্থার কারণে শিক্ষার্থীরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠছে।

প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এই অর্জনের জন্য সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্যের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে। প্রতিষ্ঠানের দাবি, আধুনিক, মানসম্মত ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতাই এই গৌরবোজ্জ্বল সাফল্যের মূল ভিত্তি।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন