

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় দালাল চক্রের বিরুদ্ধে র্যাব-৯ এর বিশেষ অভিযানে ৯ জন দালালকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর ) সকাল ১১টার দিকে র্যাব-৯ এর সিপিসি-৩ (শায়েস্তাগঞ্জ) এর কোম্পানি কমান্ডার শাহ আলম এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
র্যাব জানায়, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে হাসপাতাল এলাকায় দালালদের উপদ্রবের বিষয়ে খবর প্রকাশের পর এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে হাসপাতাল চত্বর থেকে ৯ জন দালালকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, অশিত দাশ (৪০), পিতা প্রশন্ন দাশ, গ্রাম কান্দিপাড়া, থানা বানিয়াচং। রমিজ আলী রনি (২৭), পিতা আরজ আলী, গ্রাম পৈল, হবিগঞ্জ সদর। মো. কামাল শাহ (২৫), পিতা আইদর শাহ, গ্রাম অনন্তপুর, হবিগঞ্জ সদর। আসাদুজ্জামান রিপন (৪৩), পিতা আকল আলী, গ্রাম আনন্দপুর, হবিগঞ্জ সদর। কাউছার (৩০), পিতা হরুফ মিয়া, গ্রাম হাতিয়া, থানা সুনামগঞ্জ। বিলু মিয়া (৪২), পিতা মজর আলী, গ্রাম সতমুখা, বানিয়াচং। আব্দুল খালেক মিয়া (২৭), পিতা বেলাল মিয়া, গ্রাম ফুলগাঁও, থানা চুনারুঘাট। সৌরভ রায় (২২), পিতা নিখিল রায়, গ্রাম আব্দুল্লাহপুর, তেঘরিয়া, সদর। নিতু ঘোষ (৩৫), পিতা নিকৃষ্ণ ঘোষ, গ্রাম শিবপাশা, থানা আজমিরীগঞ্জ।
র্যাবের কোম্পানি কমান্ডার শাহ আলম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতাল এলাকায় দালাল চক্রের উপদ্রব বেড়েছে। এদের খপ্পরে পড়ে অনেক রোগী নিঃস্ব হচ্ছেন। বিষয়টি নজরে আসার পর অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তিনি আরও জানান, সদর হাসপাতালের কিছু অসাধু ব্যক্তি ও আত্মীয়দের যোগসাজশে আশপাশে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু প্রাইভেট ক্লিনিক ও ফার্মেসি। দালালরা রোগীদের বিভিন্ন ক্লিনিকে পরীক্ষা করাতে নিয়ে যায়, এতে রোগীদের অতিরিক্ত অর্থ গুণতে হয়। একইভাবে ফার্মেসিগুলোরও রয়েছে নিজস্ব দালাল চক্র।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন শিক্ষা কল্যাণ শাখার সহকারী কমিশনার মোঃ মহসীন। তিনি ৯ জন আসামিকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
কোম্পানি কমান্ডার শাহ আলম আরও বলেন, জনস্বার্থে ও অনিয়মের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন