

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গাজীপুরের টঙ্গীতে জাল চেকের মাধ্যমে ৪ কোটি টাকা উত্তোলনের চেষ্টাকালে মাসুদ চৌধুরী নামে এক প্রতারক চক্রের সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (২৪ মে) বিকেলে ইসলামী ব্যাংক টঙ্গী কলেজ গেট শাখায় এ ঘটনা ঘটে।
ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ঈদের আগমুহূর্তে ব্যাংকে গ্রাহকের চাপ ও বিপুল পরিমাণ লেনদেনের সুযোগ নিয়ে একটি প্রতারক চক্র এ আর এন্টারপ্রাইজের নামে একটি জাল চেক ব্যবহার করে ৪ কোটি টাকা ট্রান্সফারের চেষ্টা করে।
চেকটি কলেজ গেট শাখার চলতি হিসাব নম্বর- ২০৫০৪৩৫০১০০০৪২৫১০ এ স্থানান্তরের জন্য জমা দেওয়া হয়।
ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজার অপারেশন বোরহান উদ্দিন আহমেদ জানান, রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি ব্যাংকে এসে দ্রুত চেকটি ক্লিয়ার করার জন্য চাপ দিতে থাকে।
এত বড় অংকের লেনদেন এবং তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি বিভিন্ন তথ্য জানতে চান। কিন্তু তারা সন্তোষজনক উত্তর দিতে ব্যর্থ হয়।
পরে সংশ্লিষ্ট হিসাবের তথ্য যাচাই করতে পল্টন শাখার হিসাবধারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি কাউকে ৪ কোটি টাকার কোনো চেক দেননি। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর শাখা ব্যবস্থাপক সাইদুল ইসলাম প্রতারক চক্রের সদস্যদের আটকের চেষ্টা করেন।
এ সময় টঙ্গী কলেজ গেট শাখার হিসাবধারী এফ এম এনামুল হক পালিয়ে গেলেও চক্রের সদস্য মাসুদ চৌধুরীকে আটক করতে সক্ষম হন ব্যাংক কর্মকর্তারা। পরে খবর পেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায়।
আটক মাসুদ চৌধুরীর বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব থানার দুর্গাপুর গ্রামে বলে জানা গেছে। তার পিতার নাম শুক্কুর আলী।
এ বিষয়ে এ আর এন্টারপ্রাইজের মালিক রাশেদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমি কাউকে ৪ কোটি টাকার কোনো চেক দেইনি। আমার স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণার চেষ্টা করা হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শাখা ব্যবস্থাপক সাইদুল ইসলাম বলেন, এটি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। কর্মকর্তারা সতর্ক না থাকলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হতে পারত।
টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসান জানান, ব্যাংক কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।