

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রবীণ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ট্রেন ভ্রমণে ভাড়ার ওপর ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ে। সোমবার (২৫ মে) থেকে এ সুবিধা কার্যকর হবে।
রোববার (২৪ মে) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকীর পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা বাংলাদেশ রেলওয়েকে দিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রবীণ যাত্রীদের ক্ষেত্রে বয়স অবশ্যই ৬৫ বছর বা তার বেশি হতে হবে। অনলাইনে টিকিট কাটার সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য থেকে বয়স স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা হবে। শুধুমাত্র মূল ভাড়ার ওপর ২৫ শতাংশ ছাড় প্রযোজ্য হবে। তবে সার্ভিস চার্জ, ভ্যাটসহ অন্যান্য চার্জ আগের নিয়মেই দিতে হবে।
এই সুবিধা অনলাইন ও কাউন্টার— দুই মাধ্যমেই পাওয়া যাবে। এজন্য যাত্রীকে বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিটিং প্ল্যাটফর্ম ‘রেলসেবা’ অ্যাপে নিবন্ধিত থাকতে হবে। একজন প্রবীণ যাত্রী সপ্তাহে সর্বোচ্চ দুইবার এ ছাড় পাবেন। তবে টিকিট ফেরত দিলে সেই যাত্রা সাপ্তাহিক হিসাব থেকে বাদ যাবে এবং একই সপ্তাহে আবারও ছাড় পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
কোনো প্রবীণ যাত্রী সহযাত্রী নিয়ে টিকিট কাটলে সহযাত্রীর জন্য স্বাভাবিক ভাড়া প্রযোজ্য হবে। তবে সহযাত্রীও যদি প্রবীণ হন, তাহলে প্রতি বুকিংয়ে সর্বোচ্চ একজন অতিরিক্ত প্রবীণ সহযাত্রী ছাড় সুবিধা পাবেন। এজন্য তাকেও নিজস্ব নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর দিয়ে ভেরিফাইড হতে হবে।
প্রতিবন্ধী যাত্রীদের ক্ষেত্রে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘সুবর্ণ’ পরিচয়পত্রধারীরা এ সুবিধার আওতায় থাকবেন। আন্তঃনগর ট্রেনের সুলভ বা শোভন শ্রেণিতে বিদ্যমান ৫০ শতাংশ ছাড় বহাল থাকবে। পাশাপাশি সব শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শ্রেণিতে নতুন করে ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে। তবে আপাতত প্রতিবন্ধী যাত্রীরা শুধুমাত্র স্টেশন কাউন্টার থেকে টিকিট কাটার ক্ষেত্রে এ সুবিধা পাবেন। ভবিষ্যতে অনলাইনেও এ সুবিধা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
রেলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্বল্প দূরত্বের কমিউটার ট্রেনে শিক্ষার্থীদের ইউনিফায়েড পরিচয়পত্র চালুর পর তাদের জন্যও ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, রেল পরিবহনকে আরও জনবান্ধব, সহজলভ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষার্থী, প্রতিবন্ধী ও বয়স্কদের জন্য বিশেষ ভাড়ার ছাড়ের ঘোষণা ছিল। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই প্রথম ধাপে প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য এ সুবিধা চালু করা হলো।
