

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ দাবি করেছেন, সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড ও এলাকায় সক্রিয় থাকার কারণেই তার জনপ্রিয়তা বাড়ছে, আর তাতেই ভীত হয়ে তাকে টার্গেট করে হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি বলেন, "আমি সমাজের জন্য কাজ করি, মানুষের পাশে থাকি। আমার জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। সেই জনপ্রিয়তাই কিছু মহলকে আতঙ্কিত করেছে, এজন্যই তারা আমার ওপর হামলা চালিয়েছে।"
সোমবার (২০ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুর শহরের ঝিলটুলীস্থ নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগ করেন এবং আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের জন্য কাজ করছেন, বিএনপি নেত্রী নায়াব ইউসুফের এমন অভিযোগ সম্পর্কে এ কে আজাদ বলেন, আমি আওয়ামী লীগ করি, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসিত করার চেষ্টা করছি, এটা উনি প্রমাণ করুক যে আমি আওয়ামী লীগ করি বা আওয়ামী লীগের লোকদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করছি, কিংবা আমি সন্ত্রাসীদের নিয়ে ঘুরি। আমি আওয়ামী লীগ করিনি। গত সংসদ নির্বাচনেও আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। আসলে তারা পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া করার জন্য আমার সম্পর্কে এসব কথা বলছেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সজাগ ও তৎপর হওয়া উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে কেউ মাঠে নেই। দুটি জোট নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমি স্বতন্ত্রভাবে কাজ করছি, কিন্তু আমার ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও তৎপর হবে বলে আমি আশা করি।
এ কে আজাদ বলেন, সন্ত্রাস দিয়ে কখনো জনসমর্থন ও জনভিত্তিকে দমন করা যায় না। সন্ত্রাস কখনো সুস্থ রাজনীতির হাতিয়ার হতে পারে না।
বিএনপির নেতাকর্মীদের এই হামলাকে সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বাধা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এ কে আজাদ। তিনি বলেন, সন্ত্রাসী শক্তিকে মোকাবিলা করেই ২০২৪ সালের নির্বাচনে ফরিদপুর-৩ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। আগামীতেও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই সন্ত্রাসের জবাব দেব।
তিনি আরও জানান, তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়েই গত রোববার বিকেলে ফরিদপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের পরমানন্দপুর বাজার এলাকায় যুবদলের কর্মীরা তার গাড়িবহরে হামলা চালায়।
জানা গেছে, সেদিন বিকেলে পরমানন্দপুর বাজারে বিএনপির ৩১ দফা দাবির সমর্থনে লিফলেট বিতরণ করছিলেন যুবদলের নেতাকর্মীরা। এসব লিফলেটে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী চৌধুরী নায়াব ইউসুফের ছবি ছিল। গণসংযোগ চলাকালে একপর্যায়ে এ কে আজাদের গাড়িবহরে হামলা হয়। এ ঘটনায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন
