শুক্রবার
২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে মদের বারে যুবক খুন, আটক ১

কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৫২ এএম
সোলাইমান
expand
সোলাইমান

কক্সবাজার শহরের একটি মদের বারে কথা-কাটাকাটির জেরে সংঘর্ষে রাশেদ নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের রেনেসাঁ হোটেলের বারে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সোলাইমান নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, বারে বসা কয়েকজনের মধ্যে বিরোধের একপর্যায়ে বাইরে থেকে দুজনকে ডেকে আনা হয়। পরে তাদের সঙ্গে বারে থাকা ব্যক্তিদের হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় রাশেদকে মারধর করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তার মৃত্যু হয়।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, নিহত রাশেদের লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর রাতেই সোলাইমান নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য, ঘটনার আগে বারের ভেতরে বসা কয়েকজনের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে বাইরে থেকে দুজনকে ডেকে আনা হয়। তাদের একজন ছিলেন রাশেদ। পরে বারের ভেতরে থাকা লোকজনের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে রাশেদকে মারধর করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. অহিদুর রহমান বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ ও বারে কর্মরত ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সূত্রপাত এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, ‘বারের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ দেখা হচ্ছে। কারা এ ঘটনায় জড়িত, তা শনাক্ত করে তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

পুলিশের একাধিক দল এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে বলে জানান তিনি।

ঘটনার পর রেনেসাঁ হোটেলের ওই বারটি বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বারটি বন্ধ থাকবে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান বলেন, তদন্তের স্বার্থে ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হবে। এ কারণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর বারের নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং সেখানে প্রবেশ ও বের হওয়ার নিয়ন্ত্রণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ বলছে, তদন্তের অংশ হিসেবে এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে।

ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংঘর্ষে কারা জড়িত ছিলেন, তা সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণের পর স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন