শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গাদের ভাড়া বাসায় বসবাস: ১৩ রোহিঙ্গা ও ২ আশ্রয়দাতা আটক

এনপিবিনিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৫, ০৫:২৪ পিএম
ছবি সংগৃহীত
expand
ছবি সংগৃহীত

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরে অবৈধভাবে বসবাস করা ১৩ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৫)। একই সঙ্গে আশ্রয়দানকারী দুই বাংলাদেশিকেও আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন বাড়ির মালিক এবং অপরজন কেয়ারটেকার।

আটককৃতরা হলেন—টেকনাফ পৌরসভার কে কে পাড়ার বাসিন্দা ও বাড়ির মালিক মৃত ওমর হামজার ছেলে আব্দুল্লাহ (২৭) এবং মৃত হাসান শরীফের ছেলে মো. ফয়াজ (৬৫)। আটককৃতদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আটক হওয়া রোহিঙ্গারা সবাই উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন নিবন্ধিত ক্যাম্পের তালিকাভুক্ত। তারা সরকারের দেওয়া মানবিক সহায়তা, খাদ্য, চিকিৎসা ও অন্যান্য সুবিধা নিয়মিত গ্রহণ করছিলেন, অথচ দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের বাইরে শহরের ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।

গত ৬ অক্টোবর (সোমবার) গভীর রাতে টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কে কে পাড়ায় অবস্থিত ‘আব্দুল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতাদের আটক করা হয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে শহরের ভাড়া বাসায় অবস্থান করছিলেন।

প্রশাসন ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ক্যাম্পের বাইরে রোহিঙ্গাদের এভাবে বসবাস করা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। কারণ, তারা পরিচয় গোপন রেখে সমাজে মিশে গিয়ে অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও জনবহুল এলাকায় সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কাও থাকে।

র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রোহিঙ্গাদের অবৈধ চলাফেরা ও বাইরে বসবাস ঠেকাতে নিয়মিত তল্লাশি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে যারা রোহিঙ্গাদের গোপনে আশ্রয় দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, শহরের মধ্যে রোহিঙ্গাদের গোপন বসবাস এলাকায় নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে। প্রশাসনের তৎপরতায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করলেও, এমন ঘটনা রোধে আরও কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন তারা।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন