

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রোহিঙ্গাদের নিজ জন্মভূমি মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছা ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের ছেলে নেকমেদ্দিন বিলাল এরদোয়ান।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট শুধু একটি দেশের দায় নয়। টেকসই সমাধানের জন্য বৈশ্বিক ঐক্য, কূটনৈতিক চাপ এবং মানবিক সহায়তার ধারাবাহিকতা জরুরি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে কক্সবাজার সফরে এসে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (আরআরআরসি) কার্যালয় পরিদর্শন শেষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ বক্তব্য দেন।
সভায় সরকারি কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে ঢাকা থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান নেকমেদ্দিন বিলাল এরদোয়ান। তার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন জার্মানির সাবেক তারকা ফুটবলার মেসুত ওজিল। বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানান কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আ. মান্নান ও পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান।
মতবিনিময় সভায় বিলাল এরদোয়ান বলেন, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা সংকট শুরুর পর থেকেই তুরস্ক মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছে। আশ্রয়, চিকিৎসা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় তুরস্ক সরকার ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে। তিনি রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও সহায়তা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, মানবিক সহায়তার পাশাপাশি প্রত্যাবাসনের বাস্তব অগ্রগতি নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা প্রয়োজন।
সভা শেষে প্রতিনিধি দলটি উখিয়া উপজেলার বালুখালী ৯ নম্বর রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে যায়। সেখানে তারা তুর্কি ফিল্ড হাসপাতাল এবং তুরস্কের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পরিচালিত মাল্টিপারপোজ এডুকেশন অ্যান্ড কালচারাল সেন্টার ঘুরে দেখেন। শিবিরে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বর্তমান পরিস্থিতি ও চাহিদা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
প্রতিনিধি দলে তুর্কি সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থার সভাপতি আব্দুল্লাহ এরেন, ঢাকাস্থ তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা রয়েছেন।
সফরসংশ্লিষ্টরা জানান, রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিসরে বিষয়টি আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এই সফর।
মন্তব্য করুন
