

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দীর্ঘ ১০ বছর ধরে আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় নতুন করে গতি সঞ্চার হয়েছে। আদালতের নির্দেশে এবার তিনজন সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে, যা মামলার তদন্তে নতুন দিক খুলে দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সোমবার (৬ এপ্রিল) কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম হাজির হয়ে অগ্রগতির প্রতিবেদন জমা দেন।
শুনানি শেষে বিচারক মো. মুমিনুল হক তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, তনুর ব্যবহৃত কিছু পোশাক থেকে আগেই তিন ব্যক্তির ডিএনএ প্রোফাইল সংগ্রহ করা হয়েছিল।
তবে দীর্ঘদিনেও তা যাচাই বা মিলিয়ে দেখা হয়নি। আদালত এবার সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন, সন্দেহভাজন তিনজনই ইতোমধ্যে সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়েছেন।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের ডিএনএ সংগ্রহ করে পূর্বে পাওয়া নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। পরবর্তী তারিখে তদন্তের অগ্রগতি জানানো হবে বলেও তিনি জানান।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু।
পরদিন সেনানিবাসসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর বাবা ইয়ার হোসেন কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ, পরে ডিবি ও সিআইডি তদন্ত করলেও রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি। ২০২০ সালের অক্টোবরে মামলাটি পিবিআইয়ে হস্তান্তর করা হয়।
এরপর একাধিকবার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের পর বর্তমানে বিষয়টি দেখছেন পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম।
এদিকে আদালতে এসে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন তনুর বাবা ইয়ার হোসেন। তিনি বলেন, দশ বছর ধরে শুধু অপেক্ষা করছি। বিচার পাইনি।
তিনি আরও বলেন, দ্রুত বিচার না হলে তিনি চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবেন। পাশাপাশি তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মেয়ে হত্যার বিচার চান। তাই মেয়ের ছবি নিয়ে ঘুরছেন।
মন্তব্য করুন