

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদের এক চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে একটি তেলবাহী লরিসহ প্রায় ১১ হাজার ৫'শ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ঘটনার সাথে জড়িত লরি চালক, হেলপার ও অবৈধ মজুদদারসহ ৪ জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
সোমবার (৩০ মার্চ) রাত ২টায় আলমডাঙ্গা থানাধীন বড়গাংনী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের একটি দল কয়রাডাঙ্গা গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযানকালে ভালাইপুর-হাটবোয়ালিয়াগামী সড়কের পাশে টিটন আলীর দোকানে একটি তেলবাহী লরি থেকে অবৈধভাবে ব্যারেলে তেল আনলোড করা অবস্থায় পাওয়া যায়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে ঘটনাস্থল থেকেই চারজনকে আটক করা হয়। তবে এ সময় আরও ২ জন আসামি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
তল্লাশি ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ লরি এবং ব্যারেল মিলিয়ে মোট ১১হাজার ৫'শ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করে। এর মধ্যে রয়েছে ডিজেল ২ হাজার ৮'শ লিটার, পেট্রোল: ৮ হাজার ৭'শ লিটার।
আসামিরা এই বিপুল পরিমাণ তেল মজুদের সপক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র বা লাইসেন্স প্রদর্শন করতে পারেনি। গ্রেফতারকৃতরা হলেন আলী হোসেন (৫৩), মোজাম হোসেন (৪৫), রাহেন আলী (২৮), টিটন আলী (৩৭)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছে যে, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অধিক মুনাফায় বিক্রির উদ্দেশ্যে তারা পরস্পর যোগসাজশে এই অবৈধ মজুদ গড়ে তুলছিল। এ ঘটনায় পলাতক বাকি দুই আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সোমবার বিকালে আলমডাঙ্গা থানায় চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এ্যন্ড অপস) এ বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং এ জানান, তেল মজুতকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তেল নিয়ে কোন প্রকার অপকর্ম সহ্য করা হবে না। '
প্রেস বিফিংয়র উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর-আলমডাঙ্গা সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান, আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ বানী ইসরাইল।
অপরদিকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানাধীন হাতিকাটা আদর্শপাড়াস্থ মেসার্স বাপ্পি অ্যান্ড সন্স থেকে ২'শ লিটার (১ ব্যারেল) পেট্রোল মজুদ অবস্থায় পাওয়া গেছে।
মন্তব্য করুন