মঙ্গলবার
১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মতলব উত্তরের ওয়াসিম হত্যা মামলার রায়, একজনের মৃত্যুদণ্ড

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম
ওয়াসিম হত্যা মামলার রায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড
expand
ওয়াসিম হত্যা মামলার রায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌর এলাকার শিকিরচর গ্রামে সম্পত্তিগত বিরোধে ট্রলি চালক ওয়াসিম বেপারীকে (২৬) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আরিফ হোসেন বেপারী (৪৩) নামে যুবককে মৃত্যুদন্ড, এক লাখ টাকা জরিমান এবং অনাদায়ে আরো দুই বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

সোমবার (১৮ মে) দুপুরে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয় আদাল) মো. কামাল হোসাইন এই রায় দেন।

হত্যার শিকার ওয়াসিম উপজেলার শিকিরচর গ্রামের বেপারী বাড়ির মৃত সাহেব আলী বেপারীর ছেলে। তিনি পেশায় ট্রলি চালক ছিলেন। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী আরিফ হোসেন বেপারী একই বাড়ির তৈয়ব আলী বেপারীর ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানাগেছে, মিজানুর রহমান ওরফে বালু মিজান পরিবারের সাথে হত্যার শিকার ওয়াসিম পরিবারের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিলো। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ২৯ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে মিজানুর রহমান ফোন করে ওয়াসিমকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে রাতের কোন এক সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে বাড়ির পাশের সেচ প্রকল্পের বাধের পাশে ঝোপের মধ্যে ফেলে দেয়। পরদিন সকালে তার মরদেহের সন্ধান পায় পরিবার।

এই ঘটনায় ৩০ জুন মতলব উত্তর থানায় ওয়াসিমের মা জাহানারা বেগম (৬০) বাদী হয়ে ৬জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করে।

মামলার আসামীরা ছিলেন, তৈয়ব আলী বেপারীর ছেলে মিজানুর রহমান ওরফে বালু মিজান (৪৫), আরিফ হোসেন বেপারী (৪৩), মো. আজাদ বেপারী (৪০), মো. করিম বেপারী (৩৮), মেয়ে সালমা বেগম (২৭) ও একই বাড়ির মোশারফ বেপারীর ছেলে মো. কুদ্দুছ বেপারী (২৫)।

মামলাটির তদন্ত করার দায়িত্ব দেয়া হয় তৎকালীন মতলব উত্তর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল আউয়ালকে। তিনি মামলার তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩১ মে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

মামলার রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, মামলাটি আদালতে চলমান অবস্থায় ২৫ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। স্বাক্ষ্য প্রমাণ, মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা ও আসামী তার অপরাধ স্বীকার করায় বিচারক তার উপস্থিতিতে এই রায় দেন। অপর আসামীদের অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের অপর আইনজীবী ছিলেন হারুনুর রশিদ এবং আসামী পক্ষে আইনজীবী ছিলেন জাবির হোসাইন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন