

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টারে ঢুকে দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পৌর যুবদলের এক নেতার বিরুদ্ধে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টার বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
আহত ব্যক্তিরা হলেন কাউন্টার ম্যানেজার মহিউদ্দিন আহমেদ সজিব ও বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেন। অভিযুক্ত নাজমুল হুদা সানি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
আহত দুই কর্মীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তিতাস কমিউটার ট্রেনের এজেন্সি নেওয়ার চেষ্টা করছেন নাজমুল হুদা সানি। তবে ট্রেনের ইজারাদার প্রতিষ্ঠান এতে সাড়া না দেওয়ায় তার মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।
তারা জানান, সোমবার সকালে বুকিং ক্লার্ক কাউসারকে ফোন করেন সানি। কাউসার ফোন রিসিভ না করায় তিনি কাউন্টারে এসে তাকে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকেন। এ সময় কাউন্টার ম্যানেজার সজিবকেও মারধর করা হয়। পরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কর্মীরা কাউন্টার বন্ধ করে দেন।
তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাজমুল হুদা সানি। তিনি বলেন, কাউন্টারের কর্মীরা নিয়মিত কালোবাজারিদের কাছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় টিকিট বিক্রি করেন বলে যাত্রীরা তাকে জানিয়েছেন। ৩০০ থেকে ৪০০টি টিকিট থাকলেও ১০০টি টিকিট দিয়ে বাকিগুলো কালোবাজারিদের কাছে বিক্রি করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে তিনি কাউন্টারে গিয়েছিলেন। সেখানে কথা-কাটাকাটি হয়েছে, তবে মারধরের অভিযোগ মিথ্যা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার মো. সাকির জাহান বলেন, টিকিট বিক্রির সময় কাউন্টার ম্যানেজার ও বুকিং ক্লার্ককে মারধরের অভিযোগ শুনেছি। তবে ঘটনার পর তারা কাউন্টার বন্ধ করে চলে যাওয়ায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. শাহ আলম মিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ভুক্তভোগীরা ফাঁড়িতে এসেছেন। লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী অভিযুক্তকে শনাক্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

