

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় বিজিবির সাথে চোরাকারবারি ও গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৮ মার্চ) দুপুরের দিকে উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের পুটিয়া সীমান্ত দিয়ে চোরাই পণ্য আনার সময় বিজিবির দেখে পালানোর চেষ্টাকালে এক চোরাকারবারীর পায়ে আঘাত পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর সঙ্গে বিজিবি সদস্যদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
৬০ বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের পুটিয়া সীমান্ত দিয়ে খাদলা গ্রামের কয়েকজন চোরাকারবারি ভারত থেকে চোরাই পণ্য নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করার সময় খাদলা বিজিবি ক্যাম্পের গোয়েন্দা শাখার (এফএস) এক সদস্য তাদের ধাওয়া করেন। ধাওয়ার সময় এক চোরাকারবারি মাটিতে পড়ে গিয়ে পায়ে গুরুতর আঘাত পান এবং তার পা ভেঙে যায়।
এ ঘটনায় গ্রামবাসী ওই বিজিবির এফএস সদস্যকে ধাওয়া দেয়। ধাওয়া খেয়ে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি দৌড়ে গিয়ে কাছাকাছি এক গ্রাম পুলিশের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে আত্মরক্ষা করেন। পরে খবর পেয়ে খাদলা বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে গ্রামবাসীর সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এক পর্যায়ে বিজিবি সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বন্দুক হাতে প্রস্তুতি নিলেও গ্রামবাসী পিছু না হটে জড়ো হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে ওই বিজিবি সদস্যকে উদ্ধার করে খাদলা ক্যাম্পে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে সুলতানপুর ৬০ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জিয়াউর রহমান বলেন, “চোরাই পণ্য নিয়ে ভারত থেকে আসার সময় বিজিবির একজন সদস্য তাদের ধাওয়া করলে একজন মাটিতে পড়ে গিয়ে পা ভেঙে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসী ওই বিজিবি সদস্যের ওপর আক্রমণ চালায়। তিনি একটি ঘরে গিয়ে আত্মরক্ষা করেন।”
বন্দুক তাক করার বিষয়ে তিনি বলেন, “গুলি করার জন্য নয়, বরং ভয় দেখিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে বিজিবি সদস্যকে উদ্ধার করার জন্য অস্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।” ঘটনাটি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন