

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা ডিগ্রি কলেজ এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল করতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে পরীক্ষার্থী ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে। এ ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১১ জুলাই) পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় বিক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রের কয়েকটি শ্রেণিকক্ষে ভাঙচুর চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র কঠিন হওয়া এবং পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বরত শিক্ষকদের অতিরিক্ত কড়াকড়ির অভিযোগ তোলেন পরীক্ষার্থীরা। এর মধ্যে পরীক্ষার হলে নকল করতে না দেওয়ায় পরীক্ষার্থীদের একাংশ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
পরীক্ষা শেষে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রের বাইরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং দায়িত্বরত শিক্ষক ও পরীক্ষা-সংশ্লিষ্টদের অবরুদ্ধ করার চেষ্টা চালান। একপর্যায়ে তারা কেন্দ্রের কয়েকটি শ্রেণিকক্ষে ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং কেন্দ্রে দায়িত্বরতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
এ সময় পুলিশের উপস্থিতি দেখে শিক্ষার্থীরা আরও উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং পুলিশের ওপর চড়াও হয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সংঘর্ষে দুই পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনার পর থেকে পরীক্ষাকেন্দ্র ও এর আশপাশের এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।