

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বরগুনায় একটি জমি সংক্রান্ত মামলায় মিথ্যা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মামলার বাদী মিল্টন মুন্সিকে (৫৩) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে বরগুনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরীয়ত উল্লাহ এই আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা সদর থানায় জমি দখল ও হুমকি সংক্রান্ত একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন মিল্টন মুন্সি। পরে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি মহিউদ্দিন বাদল খান এবং নাসির উদ্দিন খান নামে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
তবে তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত এবং আদালতের শুনানিতে উঠে আসে—এই মামলার অভিযোগ মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যা সত্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ সঙ্গতিহীন।
মিল্টন মুন্সির বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার উত্তর সোনাখালী গ্রামে। বর্তমানে তিনি বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের দক্ষিণ লাকুড়তলা এলাকায় বসবাস করছেন। তিনি অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী সুলতান আহম্মদের সম্পত্তি দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন বলে জানা যায়।
মামলার এক আসামি মহিউদ্দিন বাদল খান বলেন: মিল্টন মুন্সি সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এমনকি আমরা তার মুখ পর্যন্ত কখনও দেখিনি। আগেও সে আমাদের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা করেছে। আদালত এবার সত্য উদঘাটন করে ন্যায়বিচার দিয়েছেন, এজন্য আমরা কৃতজ্ঞ।
আসামিদের পক্ষে আইনি সহায়তাদানকারী অ্যাডভোকেট আহসান হাবিব স্বপন জানান, আদালত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় বাদীকে সাত দিনের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা দেন। পাশাপাশি মামলার আসামিদের বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়।
রায়ের পর আদালতের নির্দেশে পুলিশ মিল্টন মুন্সিকে কারাগারে পাঠায়।
মন্তব্য করুন
