

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাগেরহাটের শরণখোলায় বন কর্মকর্তাকে কুপিয়ে হরিণ শিকারি কুদ্দুস রাজাকে ছিনতাই করে নিয়েছে সহযোগীরা। বুধবার (১৩ মে) দুপুরে আহত বন কর্মকর্তা বাদী মো. আল জাবের বাদী হয়ে এক জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১৪-১৫ জনকে আসামী করে শরণখোলা থানায় মামলা দায়ের করেন।
এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যায় পাথরঘাটার চরদুয়ানী ইউনিয়নের কালিয়ারখাল এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে । কোন বিশেষ কারণে হামলার ঘটনাটি গোপন করা হয়৷
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের চরখালী ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল জাবের এর নেতৃত্বে বনরক্ষীরা মঙ্গলবার বিকেলে সুন্দরবনের চরখালী বনাঞ্চলের শুয়োরগুদি এলাকায় টহল দিচ্ছিল বনরক্ষীরা। তখন বনের মধ্যে হরিণ শিকারিদের দেখতে পায় তারা।
বনরক্ষীদের দেখে শিকারিরা ঘটনাস্থলের অদূরে থাকা তাদের ট্রলারে উঠে দ্রুত লোকালয়ের দিকে পালাতে থাকে। বনরক্ষীরাও ট্রলার নিয়ে তাদের পিছু ধাওয়া করে। শিকারি লোকালয়ের কালিয়ারখাল এলাকায় উঠে গেলে বনরক্ষীরা ওই এলাকার চিহ্নিত হরিণ শিকারি কুদ্দুস রাজাকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটক শিকারিকে নিয়ে আসার সময় তার সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে বনরক্ষীদের ওপর হামলা করে।
এতে চরখালী ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল জাবের ও বন বিভাগের নৌকাচালক অপূর্ব কুমার সাহা আহত হয়। জাবেরের হাত কেটে যায়। এক পর্যায়ে শিকারি কুদ্দুস রাজাকে ছিনিয়ে নে হামলাকারীরা।
মঙ্গলবার রাতে আহত আল জাবেরকে শরণখোলা উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তিনি এখন শরণখোলা স্টেশনে রয়েছেন।
এসিএফ আরও বলেন, মামলা হয়েছে। হামলাকারী ও হরিণ শিকারিরা যত প্রভাবশালী হোক না কেন আইনের আওতায় আনা হবে৷ যে এলাকায় শিকারিরা ছিল ওই এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামিনুল হক বলেন, বনরক্ষীদের উপর হামলার ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে