

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাগেরহাটের শরনখোলায় প্রতিপক্ষের হামলায় বিএনপি কর্মী ও মালয়েশিয়া প্রবাসী আরিফুল ইসলাম মাসুম হত্যাকান্ডের ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
সোমবার (২মার্চ) সকালে এঘটনায় নিহতের ভাই শহিদুল ইসলাম হাওলাদার বাদী হয়ে ১৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামী করে শরণখোলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার শরনখোলা গ্রামের শাহজাহান বয়াতির ছেলে খলিল বয়াতি (৩২), কবির বয়াতির ছেলে শাহাজালাল বয়াতি (৩৫), মৃত হোসেন আলী হাওলাদারের ছেলে তানজের আলী হাওলাদার (৬৫)। এদিন দুপরে পুলিশ গ্রেফতারকৃত ৩ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পরিবারের দাবি, মাসুম তার শশুর বাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা জামায়াতের কর্মীরা তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে এলোপাতাড়ি মারপিট করে। তার ডাকচিৎকারে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে আরিফুল ইসলাম মাসুমের ওপর হামলা চালায় বলে দাবী করেন বিএনপি নেতারা।
বিএনপির অভিযোগ সম্পূর্ণ কাল্পনিক দাবি করে শরণখোলা প্রেসক্লাবে দুপুর সাড়ে ১২টায় সংবাদ সম্মেলন করেছে জামায়াতে ইসলামী। বিএনপির এমন ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম কবির বলেন, একটি মহল উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে জামায়াতের ওপর ঘটনার দায় চাপানোর অপচেষ্টা করছে।
শরণখোলা থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সামিনুল হক মামলা এজাহারের বরাত দিয়ে বলেন, নির্বাচনের পরের দিন স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনায় ভিডিও ধারণ করেন মালয়েশিয়া প্রবাসী আরিফুল ইসলাম মাসুম। ওই ভিডিও সামাজিক য়োগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট করা নিয়ে তর্কবির্তক হয়। এরই জেরে রাতে তার ওপর হামলা করে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধা করে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রফিকুল ইসলাম মারা য়ায়। নিহতের ভাই শহিদুল ইসলাম হাওলাদার বাদী হয়ে ১৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামী করে শরণখোলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মাসুম হত্যাকান্ডের ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন