শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাসপাতালের দ্বিতীয়‌ গেটে দীর্ঘদিন তালা, ভোগান্তিতে রোগীরা

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২৫, ০৬:০১ পিএম
expand
হাসপাতালের দ্বিতীয়‌ গেটে দীর্ঘদিন তালা, ভোগান্তিতে রোগীরা

মানিকগঞ্জে ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের দুটি প্রবেশপথ থাকলেও এর একটি গেট দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। ফলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রোগী-স্বজন সহ চলাচলকারী মানুষদের।

জানা যায়, হাসপাতালের প্রধান গেট দিয়ে প্রতিদিন হাজারো রোগী ও স্বজনরা যাতায়াত করেন। কিন্তু দ্বিতীয় গেটটি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় ভেতরে-বাইরে চলাচলে জটলা সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে জরুরি বিভাগে আসা রোগী ও অ্যাম্বুলেন্স চলাচলে বাধা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের বন্ধ থাকা গেইটের সামনে বসেছে পান-সিগারেট ও চা এর দোকান। যেখানে বসে প্রতিদিন ভিড় করছেন সাধারণ মানুষ। শুধু তাই নয় গড়ে উঠেছে সিএনজি স্ট্যান্ড। গেটের ফাকা দিয়ে হাসপাতালের দিকে তাকালে দেখা যায় রাস্তা পরিণত হয়েছে ময়লার ভাগাড়ে।

অপরদিকে আরও দেখা যায় দ্বিতীয় গেট বন্ধ থাকায় প্রতিদিনই প্রধান গেটে ভিড় বেড়েই চলেছে। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে যানজটের।

হাসপাতালে রোগী নিয়ে আসা কৌট্টা এলাকার তপন জানান, লোকজন আসবে-যাবে সে ডিসিপ্লেন নাই এখানে। যে যার যার মত গাড়ি নিয়ে আসতেছে যাইতেছে। হাইটা যাওয়ার সময় একজন আরেকজনের সাথে ধাক্কা লাগে অনেক সময়।

রোগী দেখতে আসা কলেজ শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, আসার পথে দেখলাম একটি অ্যাম্বুলেন্স অনেক হর্ন দিয়ে হাসপাতালে ঢুকতেছে। হাসপাতালে মানুষ দিন দিন যেমন ভিড় করছেন যার ফলে শব্দ দূষণও বেড়ে যাচ্ছে। ঐ গেট খোলা থাকলে এই ভিড় একটু কম হতো আর পরিবেশের ভারসাম্যও ঠিক থাকতো।

প্রধান গেটে ডিউটি করতে দেখা যায় রাসেল কবির নামের এক আনসার সদস্যকে। তিনি বলেন, গেট একটা থাকায় সমস্যা একটু বেশিই হয়। ঐ গেটটা যদি খোলা থাকতো তাহলে এই গেটের চাপ টা একটু কমতো।

বন্ধ থাকা গেটের সামনে পান সিগারেটের দোকান দিয়েছেন অনেকেই। তাদের একজন মোঃ মোকসেদ বলেন, গেট বন্ধ বলেই আমি প্রায় দুই তিন বছর যাবৎ এখানে দোকান করতেছি। গেট যদি খুইলা দেয় তা জনগণের জন্য ভালো হইবো। যাতায়াতে আর সমস্যা থাকবো না। আর এই গেট আমার লিগা খুললেও ভালো না খুললেও ভালো। একবার খুলছিল, সিএনজি ওয়ালাদের জন্যে তা আবার বন্ধ করছে।

এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও রোগীর স্বজনরা। তাঁদের দাবি, গেটটি খুলে দিলে হাসপাতালের সার্বিক সেবা ও চলাচল আরও সহজ হবে।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বাহাউদ্দিন বলেন, আপাতত ওই গেট আমাদের প্রয়োজন নেই। এবং যথার্থ সিকিউরিটি নেই বলে বন্ধ রয়েছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন