

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কুষ্টিয়ায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, দূর্ণীতি ও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে ঘটনায় তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক ও স্বাস্থ্য বিভাগ।
অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১১ টার দিকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুষ্টিয়ার একটি টিম সিভিল সার্জন অফিসে যায়। পরে দুপুর ১২টার দিকে স্বাস্থ্য বিভাগের একটি উচ্চপর্যায়ের টিম অভিযোগ তদন্তে ওই কার্যালয়ে যান।
এ সময় উভয় টিমের সদস্যরা সিভিল সার্জন ডা. শেখ মোঃ মোঃ কামাল হোসেন, কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আরএমও হোসেন ইমামসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেন।
পরে দুদক টিমের সদস্যরা নিয়োগ পরীক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মোবাইল ফোন জব্দ করেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের টিমে নেতৃত্ব দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডাক্তার খায়ের আহমেদ চৌধুরী। এছাড়াও দুদকের টিমের নেতৃত্বে ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সম্বনিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মইনুল আহসান রওশনী।
এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার খায়ের আহমেদ চৌধুরী বলেন, আমার নেতৃত্বে ৩ সদস্যের কমিটি হয়েছে। তিন কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবো। ঘটনার ব্যাপারে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও বিশ্লেষণ করছেন তারা।
দুদকের উপপরিচালক মইনুল আহসান রওশানী বলেন, নিয়োগ পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুজনের মোবাইল ফোন জব্দ করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই-বাছাই করছেন।
তবে এদিন আর এম ও ডাক্তার হাসান ইমাম ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টতার কথা তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে অস্বীকার করেন।
এদিকে তদন্ত কমিটির কাছে নিজের অবস্থান জানানোর পর হোসেন ইমাম সিভিল সার্জন কার্যালয় ত্যাগ করার চেষ্টা করলে ছাত্র-জনতা তার উপর চড়াও হয়। এ সময় তাকে হেনস্তা করা হয়। পরে হোসেন ইমাম পুনরায় সিভিল সার্জন অফিসে গিয়ে আশ্রয় নেন।
মন্তব্য করুন