

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার সোনাইছড়িতে অবস্থিত,এসএন করপোরেশন,যমুনা শীপ শীপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ড ও পিএইচপি শিপ ব্রেকিং রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে নামের তিনটি জাহাজভাঙা কারখানা পরিদর্শন করেন নরওয়ে রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন,জেনারেল ডাইরেক্টর নরওয়ে এজেন্সি জান ওলভ বারই,ঢাকার নরওয়ে দূতাবাসের সিনিয়র অ্যাডভাইজর মোরশেদ আহমেদ,প্রোগ্রাম অফিসার শাফার সেলিম।
রবিবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত জাহাজভাঙা কারখানা গুলো পরিদর্শনে কালে নরওয়ে রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন সাংবাদিকদের বলেন,আজ শিপ ব্রেকিং এবং রিসাইক্লিং ইয়ার্ড গুলো পরিদর্শন করে এতটুকু বলতে পারি এই শিল্প বাংলাদেশের সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
অনেকটা পরিবেশ সম্মতভাবে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।এই দেশে জাহাজ কাটার পরিবেশ আগের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত হয়েছে। পরিস্থিতি এতো দ্রুত বদলেছে যে সত্যিই এটি অবাক করার মতো। এটি সম্ভব হয়েছে এখানকার শিল্প মালিকদের সদিচ্ছার ফলে।এক সময় বিশ্বে জাহাজভাঙা শিল্পের নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ।
পিএইচপি শিপ ব্রেকিং রিসাইক্লিং ইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহুরুল ইসলাম রিংকু বলেন, আমরা জাহাজভাঙা শিল্পের পরিবেশ সুরক্ষা এবং কর্মরত শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্যসুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করছি।
এ শিল্পের সার্বিক উন্নয়ন ও বিকাশের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের গাইডলাইন অনুযায়ী নরওয়ে সরকারের সহায়তায় নিরাপদ এবং পরিবেশগতভাবে শিপ রিসাইক্লিং প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
বর্তমানে ১৭টি ইয়ার্ড গ্রিন শিপ ব্রেকিং এবং রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে উন্নীত হয়েছে।আরো বাকি গুলোর কাজ চলমান রয়েছে।তাছাড়া জাহাজভাঙা শিল্প ক্রমান্বয়ে গ্রিন শিপ ব্রেকিং এবং রিসাইক্লিংয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন