

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া, ১ হাজার ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা ও উৎসবভাতা ৭৫ শতাংশ করার দাবিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক–কর্মচারীদের চলমান আন্দোলনকে ‘যৌক্তিক’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।
সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ময়মনসিংহ নগরীর নাসিরাবাদ কলেজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন দপ্তর আয়োজিত ‘শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা’য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ড. আমানুল্লাহ বলেন, “শিক্ষকদের শতভাগ চিকিৎসা ভাতা সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে। যেসব কলেজকে এমপিওভুক্তি করার দাবি উঠেছে, সেগুলোকে দ্রুত এমপিওভুক্ত করে আমাদের পাপমুক্ত করুন।”
সভায় তিনি আরও জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষা ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ময়মনসিংহে একটি আঞ্চলিক কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ টি এম জাফরুল আজম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য ড. মো. নূরুল ইসলাম এবং ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. শহীদুল্লাহ।
উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে বলেন, “দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বদ্ধপরিকর। শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সমন্বয় জরুরি।”
তিনি আরও বলেন, “প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা, ডিজিটাল মনিটরিং, আধুনিক ল্যাব স্থাপন, পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর মতো উদ্যোগ আমরা হাতে নিয়েছি, যাতে শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি পায়।”
শিক্ষকদের উদ্দেশে উপাচার্য বলেন, “শিক্ষকরা জ্ঞানের বীজ বপন করেন। তাঁদের দলীয় প্রভাবমুক্ত থেকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, যাতে শ্রেণিকক্ষের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ে।”
সভাপতির বক্তব্যে ট্রেজারার ড. জাফরুল আজম বলেন, “শিক্ষার মানোন্নয়নে আপনাদের যেকোনো পরামর্শ আমরা গুরুত্বের সঙ্গে নেব। সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়।”
এছাড়াও সভায় বক্তব্য রাখেন- নাসিরাবাদ কলেজ গভর্নিংবডির সভাপতি অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী, কলেজের অধ্যক্ষ আহমেদ শফিকসহ বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষগণ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা, সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।
সভায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা শিক্ষার মানোন্নয়নে বিভিন্ন প্রস্তাব ও পরামর্শ তুলে ধরেন।
মন্তব্য করুন