

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা ও পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. জোবায়েদ হোসেন খুন হওয়ার পর কুমিল্লার হোমনা উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামে তার বাড়িতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
রাজধানীর আরমানিটোলার একটি ভবনের সিঁড়ি থেকে রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারের পর সোমবার (২০ অক্টোবর) গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, পরিবার ও এলাকাবাসী সবাই শোকে বিহ্বল।
বাড়ির আঙিনায় চেয়ারে বসে জোবায়েদের স্মৃতিচারণ করছিলেন স্বজনেরা। কেউ কেউ কান্না চাপতে না পেরে বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছিলেন।
জোবায়েদের ফুফু নাছিমা আক্তার জানান, তার বড় ভাই মোবারক হোসেনের চার ছেলের মধ্যে জোবায়েদ ছিলেন দ্বিতীয়। বড় ভাই এনায়েত হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, তৃতীয় ভাই সাইমন দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়েন ঢাকার একটি কলেজে, আর ছোট ভাই মুশফিকুর রহমান নোয়াখালীর সুবর্ণচরের একটি মাদরাসার ছাত্র।
তিনি আরও বলেন, জোবায়েদ শুধু মেধাবী নন, পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীলও ছিলেন। নিজের টিউশনির আয় থেকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে ফুফুর ওষুধ কেনার খরচ দিতেন। ভবিষ্যতে চাকরি পেলে পরিবারের অন্য সদস্যদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাসও দিতেন।
চাচা খান সাব মিয়া বলেন, “আমরা ভাবতেই পারছি না জোবায়েদ আর নেই। এমন একটি ছেলে, যে নিজের প্রয়োজনের চেয়েও পরিবারের দিকটা আগে ভাবত।”
মন্তব্য করুন
