

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আট বাংলাদেশি কর্মীর মরদেহ অবশেষে দেশে ফিরেছে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে মরদেহবাহী কফিনগুলো ওমানের রাজধানী মাস্কাট থেকে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।
ফ্লাইট অবতরণের পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে রাত সোয়া ৯টার কিছু পর মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. ইব্রাহীম খলিল।
মরদেহ গ্রহণের খবর পেয়ে বিমানবন্দরে ভিড় করেন নিহতদের আত্মীয়-স্বজন, এলাকার সাধারণ মানুষ এবং সন্দ্বীপ উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের (বিএনপি, জামায়াতসহ) নেতাকর্মীরা। বিমানবন্দরের পরিবেশ ছিল শোকাবহ ও আবেগঘন।
রাত সোয়া ৯টার পর একে একে ৮টি কফিন স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় মরদেহ বুঝে পেয়ে অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। কফিন খোলার পর কেউ কেউ মূর্ছা যান। পুরো বিমানবন্দরজুড়ে নেমে আসে এক হৃদয়বিদারক নীরবতা।
মরদেহগুলো পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দাফন-কাফনের জন্য প্রত্যেক পরিবারকে একটি করে আর্থিক সহায়তার চেক দেওয়া হয়েছে। এরপর নিহতদের মরদেহ পৃথক অ্যাম্বুলেন্সে করে নিজ নিজ গ্রামের পথে রওনা হয়।
৮ অক্টোবর, বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টার দিকে ওমানের দুখুম সিদ্দা নামক এলাকায় একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে প্রাণ হারান আটজন বাংলাদেশি শ্রমিক। নিহতদের মধ্যে সাতজনই চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দা, আর একজন ছিলেন রাউজান উপজেলার।
এই ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রবাসে কর্মরত আরও বহু বাংলাদেশি দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন এমন দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি নিয়ে।
মন্তব্য করুন
