

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজশাহীর পবা উপজেলায় একটি মাইজভান্ডারী দরবারে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর উপজেলার বড়গাছি ইউনিয়নের পানিশাইল চন্দ্রপুকুর গ্রামে অবস্থিত ‘হক বাবা গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী গাউছিয়া পাক দরবার শরীফে’ এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৫ বছর আগে আজিজুর রহমান ভান্ডারী নিজ বাড়ির পাশে দরবারটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং ভক্তদের কাছে নিজেকে ‘পীর’ হিসেবে পরিচিত করে আসছেন।
প্রতিবছর এখানে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হয়ে থাকে। এবার তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, যেখানে নারী শিল্পী ও ভান্ডারী-মুর্শিদী গান পরিবেশনা ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
ঘটনার সময় দরবারের বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকলেও উত্তেজিত জনতা হামলা চালিয়ে টিনশেড ঘেরা খানকাটি ভাঙচুর করে। তবে ওই সময় ‘পীর’ আজিজুর রহমান ভান্ডারী নিজ বাড়ি থেকে বের হননি।
তিনি অভিযোগ করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা এ ঘটনার নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং জামায়াত কর্মীরাও সঙ্গে ছিলেন। তবে গোলাম মোস্তফা দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের নেতারাও হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন।
পবা থানার ওসি মনিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, আগের রাতেই খানকা ইস্যুতে থানায় লোকজন এসেছিল। পুলিশ উপস্থিত থাকলেও অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে হামলা ঠেকানো সম্ভব হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে থানায় কোনো অভিযোগ করবেন না জানিয়ে দরবারের প্রতিষ্ঠাতা আজিজুর রহমান ভান্ডারী বলেন, আমি অভিযোগ করব না। আমি মানবধর্ম করি, আমার কাছে সবাই আসে। সবাইকে মাফ করে দিলাম। আল্লাহও যেন তাদের মাফ করে দেন। তারা ভেঙে খুশি হয়েছে, হোক।
মন্তব্য করুন
