

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে পরপর দু’দিনে স্থলমাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
রোববার (১৩ অক্টোবর) বিজিবি সদস্য আহত হওয়ার ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সোমবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ১২ টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি জোনের আওতাধীন নিকুছড়ি বিওপি পয়েন্টে আবারো একটি মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ৪২ নম্বর পিলার সংলগ্ন কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির অধীনস্থ নিকুছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ (বিপি-৪২) পয়েন্টে এ বিস্ফোরণ ঘটে।
বিস্ফোরণের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা বিকট শব্দ শুনতে পান। কলাবাগানের চাষী আবদুল সালাম জানান, তিনি বিস্ফোরণের সময় মাঠে কাজ করছিলেন। তিনি আরও জানান, সীমান্তঘেঁষা আরাকান আর্মির দখলে থাকা অংজু ক্যাম্প সংলগ্ন জিরো লাইনে একটি হাতির চিৎকার শুনেছেন, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, প্রাণীটির পায়ে মাইন বিস্ফোরণ ঘটেছে। বিস্ফোরণের পর হাতিটি মিয়ানমারের দিকে চলে যায় বলে জানান তিনি।
সোমবার রাত সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে, রোববার (১২ অক্টোবর) সকালে নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশফাঁড়ি বিওপি এলাকায় টহলরত অবস্থায় মাইন বিস্ফোরণে আহত হন ৩৪ বিজিবির নায়েক মো. আকতার। বিস্ফোরণে তার ডান পায়ের গোড়ালি উড়ে যায় এবং বাম পা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তীতে তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকা সিএমএইচে পাঠানো হয় বলে গণমাধ্যম কর্মীদের রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মহিউদ্দিন জানিয়েছে। এ ঘটনার পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩০ সদস্যের একটি মাইন ডিসপোজাল টিম রামু থেকে সীমান্তে পরিদর্শনে যায়।তারা প্রথমে ঘুমধুমের রেজু আমতলী বিজিবি ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার-৪০ সংলগ্ন এলাকায় যান। ওই টিমটি মূলত একটি পরিত্যক্ত হ্যান্ড গ্রেনেড ও মর্টার শেল পরিদর্শনের জন্য সেখানে পৌঁছায়।
এ ব্যাপারে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাসরুল হক বলেন এ ধরনের খবর এখনো পায়নি । বিস্তারিত তথ্য পেলে জানানো হবে।
মন্তব্য করুন