

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নে বিষাক্ত স্পিরিট পান করার ঘটনায় ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরও তিনজন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ৯ অক্টোবর রাতে ডিঙ্গেদহ বাজারে কয়েকজন মিলে স্পিরিট পান করেন। এরপর ১১ অক্টোবর থেকে একে একে পাঁচজন মারা যান। ১২ অক্টোবর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
নিহতরা হলেন, খেদের আলী (৪০), নফরকান্দি গ্রামের ভ্যানচালক, মোহাম্মদ সেলিম (৪০), খেজুরা গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী, মোহাম্মদ লালটু ওরফে রিপু (৩০), পিরোজখালি গ্রামের ভ্যানচালক, মোহাম্মদ শহীদ (৪৫), শংকরচন্দ্র গ্রামের শ্রমিক, মোহাম্মদ সামির (৫৫), ডিঙ্গেদহ গ্রামের মিলশ্রমিক, সরদার মোহাম্মদ লালটু (৫২), এশিয়া বিস্কুট ফ্যাক্টরি পাড়ার শ্রমিক।
সবাই নিম্নআয়ের পেশাজীবী ছিলেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ডিঙ্গেদহ বাজারে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দেশি মদ বিক্রি চলছে এবং প্রশাসনের পর্যাপ্ত নজরদারি না থাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. একেএম নাসিম উজ জামান জানিয়েছেন, হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা অ্যালকোহলিক পয়জনিংয়ের শিকার ছিলেন। মৃতদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জামাল আল নাসের বলেন, ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চারজন দাফন করা হয়েছে, দুইজনের মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ তিনজন চিকিৎসাধীন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যু হয়েছে অ্যালকোহলিক পয়জনিংয়ে, এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।
মন্তব্য করুন
