বৃহস্পতিবার
১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘরের চারপাশ থেকে ‘শত রাউন্ড গুলি ছুড়ে’ হত্যা, নেপথ্যে কী?

নরসিংদী প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৬, ০২:০৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর রিফাত (২৮) নামের এক যুবকের মরদেহ নরসিংদীর চরাঞ্চল থেকে উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় নরসিংদী সদর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের কান্দাপাড়া জিরো পয়েন্ট এলাকায় মেঘনা নদী-তীরবর্তী একটি ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রিফাত নবীনগর উপজেলার থোল্লাকান্দি গ্রামের দাসপাড়ার বাসিন্দা এবং মৃত মোস্তাক আহমেদের ছেলে।

নৌ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে কয়েকজন কৃষক ছাগল চরাতে গিয়ে নদীতীরের একটি ঝোপে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে নৌ ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহটি নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে রাতেই নিহতের বোন মুক্তা বেগম মর্গে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।

মুক্তা বেগম জানান, গত রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে থোল্লাকান্দি গ্রামে একদল ডাকাত হানা দেয়। এ সময় তাদের গুলিতে রিফাত নিহত হন। পরে ডাকাতরা তার মরদেহ সঙ্গে নিয়ে এলাকা ত্যাগ করে। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা মরদেহের কোনো সন্ধান পাচ্ছিলেন না। মঙ্গলবার নরসিংদীর করিমপুর এলাকায় একটি মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে তিনি তার ভাইয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন।

তিনি দাবি করেন, ডাকাতরাই রিফাতের মরদেহ দূরের নির্জন স্থানে ফেলে গেছে। জানাজা ও দাফন শেষে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হবে বলেও জানান তিনি।

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সুজন চন্দ্র সরকার বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে হত্যার পর ওই যুবকের মরদেহ কে বা কারা করিমপুর এলাকায় নদীতীরে ফেলে গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ড এবং মরদেহ নরসিংদীতে নিয়ে ফেলে যাওয়ার পেছনের রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
UPCOMING
Czechia VS South Africa
Scheduled
18 Jun, 10:00 PM
VS
World Cup