শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে মধুটিলা ইকোপার্ক সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে পর্যটক ও স্থানীয়রা

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৫:৩৩ পিএম
শেরপুরে বেহাল মধুটিলা ইকোপার্ক পর্যটকগামী ৬ কি.মি. রাস্তা
expand
শেরপুরে বেহাল মধুটিলা ইকোপার্ক পর্যটকগামী ৬ কি.মি. রাস্তা

মেঘালয়ের সীমান্ত ঘেঁষা শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাও ইউনিয়নের নন্নী বাজার থেকে মধুটিলা ইকোপার্কগামী প্রায় ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে আছে।

এর ফলে এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দারা সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন।

মাঠপর্যায়ে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পরিবর্তনের পর গারো পাহাড়ের বিভিন্ন নদী থেকে ব্যাপক হারে বালু তোলা শুরু হয়।

একই বছর ভয়াবহ বন্যায় নন্নী বাজার থেকে আমবাগান হয়ে বারোমারী মিশনগামী সড়কের বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

ফলে শত শত ট্রাক বালু ওভারলোড করে মধুটিলা ইকোপার্কগামী সড়ক ব্যবহার করতে থাকে। অতিরিক্ত চাপের কারণে পুরো ছয় কিলোমিটার পাকা সড়ক ভেঙে অসংখ্য গর্তে ভরে যায়। এর ফলে যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে এবং নিয়মিত যাতায়াতকারীদের দুর্ভোগ বেড়েছে।

পর্যটন ব্যবসায়ীদের দাবি, রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা না হলে আসন্ন শীতকালীন মৌসুমে মধুটিলা ইকোপার্কে পর্যটকের সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমে যাবে।

স্থানীয় বাসিন্দা খোরশেদ আলম বলেন, “শেরপুর থেকে মধুটিলা ইকোপার্কে যাওয়ার একমাত্র সড়ক এটি। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ না করায় এবং অতিরিক্ত ওজনের বালুবাহী ট্রাকের কারণে সড়ক দ্রুত ভেঙে গেছে।

পর্যটন মৌসুমে এ রাস্তা দিয়ে শত শত বাস, মিনিবাসসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করে। রাস্তা খারাপ থাকলে পর্যটকদের বড় ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হবে, এতে ভ্রমণকারীরাও কমে যেতে পারে। সরকারের কাছে আমাদের দাবি, দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা হোক।”

বিষয়টি নিয়ে শেরপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, “আমরা সড়কটি পরিদর্শন করেছি এবং সংস্কারের প্রস্তাব পাঠিয়েছি। প্রকল্পের বরাদ্দ পাওয়া মাত্র কাজ শুরু করা হবে।”

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন