

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নোয়াখালী সদর উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সমর্থনে এবং বর্তমান সরকারের 'সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির' বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ। বিক্ষোভ মিছিলের শুরুতেই পুলিশ বাধা দিলেও ভিক্ষোভকারীদের সংখ্যা বাড়তে থাকলে এক পর্যায়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সরে যায়।
শুক্রবার (৫ জুন) জুমার নামাজ শেষে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধের হাট বাজারে ইউনিয়ন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজের পর সদর উপজেলার ছাত্রলীগ যুবলীগের প্রায় তিন হাজারের বেশি কর্মী-সমর্থকরা মিছিলটি বের করলে পুলিশ তাতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে পুলিশে বাধা উপেক্ষা করেই নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে অগ্রসর হন এবং বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। বিক্ষোভ মিছিলে সভাপতিত্ব করেন নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু।
মিছিল শেষে সমাবেশে আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু বলেন, আমরা এখানে যারা রাজপথে নেমেছি, তারা প্রত্যেকেই অন্যায় এবং সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এসেছি। আমাদের এই প্রতিবাদী আন্দোলন ইনশাআল্লাহ অব্যাহত থাকবে। যতদিন পর্যন্ত শেখ হাসিনা ফিরে না আসবেন, ততদিন আমরা শান্ত হব না এবং রাজপথ ছাড়ব না।
কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু বলেন, দেশে বর্তমানে সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজি বেড়ে গেছে। একজন বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সেই দায়িত্বে জায়গা থেকেই আমরা প্রতিবাদ করেছি। পুলিশ প্রথমে আমাদেরকে বাধা দিলে আমাদের প্রায় দুই হাজারের মতো মানুষ ভয়ে এদিক সেদিক চলে যায়। পরে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে আমরা প্রায় দেড় হাজার মানুষ নিয়ে মিছিল করি এবং সমাবেশ করি। আমরা বিশ্বাস করি অতি দ্রুত আমাদের নেত্রী দেশে ফিরে দেশের দায়িত্ব নিবেন। এবং আমাদের নেত্রী দেশে ফেরার সাথে সাথেই বর্তমান সময়ের সন্ত্রাস চাঁদাবাজরা দেশ ছেড়ে পালাবে।
জানতে চাইলে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা আগে থেকেই টের পেয়ে পুলিশের একাধিক দল সেখানে উপস্থিত ছিল। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা এত বেশি ছিল যে আমাদের কিছুই করার ছিলনা। আমরা মিছিলে শুরুতে তাদের বাধা দিলেও পরবর্তীতে তাদের উপস্থিতি সংখ্যা বেড়ে গেলে আমাদের সদস্যরা সরে পড়ে।