

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় গ্রেপ্তার জেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) সহ-সভাপতি রাকিব হোসেন ও তার ভাই রুবেলকে ছাড়াতে থানায় গিয়েছিলেন কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ইউসুফ আলী।
তবে গ্রেপ্তারদের রাজনৈতিক পরিচয় ও অভিযোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি আর তাদের মুক্তির বিষয়ে কোনো তদবির করেননি বলে দাবি করেছেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে উপজেলার কয়রা এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের একটি ঝটিকা মিছিল থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রাকিব হোসেন এবং তার ভাই রুবেল ও একই এলাকার রাজন ছিলেন।
পরে রাকিব হোসেন ও তার ভাই রুবেলকে ছাড়াতে তদবির করতে থানায় গিয়েছিলেন কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ইউসুফ আলী।
যা নিয়ে ইতোমধ্যেই ওই এলাকার স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে মাওলানা ইউসুফ আলী বলেন, রাকিব ও রুবেলের বাবা-মা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। পরিবারের পক্ষ থেকে আমাকে জানানো হয়েছিল যে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আমি খোঁজ নিতে গিয়েছিলাম।
তিনি আরও বলেন, পরে তাদের রাজনৈতিক পরিচয়, পদ-পদবি এবং গ্রেপ্তারের অভিযোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর আমি আর তাদের ছাড়ানোর কোনো চেষ্টা করিনি।
এ বিষয়ে উল্লাপাড়া থানার একটি সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারের পর কয়েকজন ব্যক্তি তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নিতে থানায় এসেছিলেন। তবে আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী গ্রেপ্তারকৃতদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় বুধবার (৩ জুন) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে উল্লাপাড়ার কয়রা এলাকায় ঝটিকা মিছিল থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।