

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার ছেলের ছুরিকাঘাতে রানা মিয়া (২৮) নামে এক বিএনপিকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৬ জন।
মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রানা মিয়া একই এলাকার মৃত শরাফ উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশাচালক এবং বিএনপির কর্মী ছিলেন।
আহতরা হলেন- আশাদ (৩৬), মোফাজ্জল (৩৫), শাহান (৪৫), মুনসুর আলী (৫০), শাকিল (৩০) ও দিনি মিয়া (৩৫)।
অভিযুক্ত মাহিন ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মফিদুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে।
নিহতের স্বজনরা জানান, গতকাল সোমবার মফিদুল মাস্টারের বাড়ির ছেলেরা ফুটবল খেলা শেষে রানা মিয়ার বাড়ির সামনে দোকানে তরল পানিও কিনতে আসেন। এ সময় এক কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষে তরল পানিও খাচ্ছে বলে রানার পক্ষের লোকজন হেয় করে কথা বলে। এতে মফিদুল মাস্টারের বাড়ির লোকজন মারধরের হুমকি দিয়ে চলে যায়। এ ঘটনার পর রাতে তারা রানার বাড়িতে হামলা করে। এ ঘটনার পর মফিদুল মাস্টার নিজে রানার বাড়িতে এসে বিষয়টি মীমাংসা করে চলে যান। কিন্তু আজ বিকেলে তিনি অন্তত ৫০ থেকে ৬০ জন লোক নিয়ে হামলা চালান। এ সময় মফিদুলের ছেলে মাহিন ছুরি দিয়ে রানার বুকের পাশে আঘাত করেন। হামলায় আরও ৬ জন আহত হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রানাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাই তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘আমার ভাইকে বিনা কারণে মফিদুল মাস্টারের ছেলে ছুরি দিয়ে বুকে আঘাত করে হত্যা করেছে। আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।’
অভিযোগের বিষয়ে জামায়াত নেতা মফিদুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে আমি বা আমার ছেলে কেউই জড়িত নয়। প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হচ্ছে।’
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবিরুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মাহিন পলাতক রয়েছেন। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা প্রক্রিয়াধীন। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।’
