

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর হাজিপাড়া মোড় এলাকায় ১০৪ কেজি ওজনের ছাগলটি বিছানা ছাড়া ঘুমায় না।খাওয়াদাওয়া, হাঁটাচলাতেও আছে আলাদা আভিজাত্য। এসব কারণে পোষা ছাগলটির নাম রাখা হয়েছে ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’।
হাদিস মিয়া দুই বছর ধরে পরম যত্নে ছাগলটিকে লালন–পালন করছেন। বর্তমানে তাঁর বাড়ির সামনে প্রতিদিনই ভিড় করছেন উৎসুক মানুষ। দূরদূরান্ত থেকেও অনেকে ছাগলটি দেখতে আসছেন।
তিনি জানান, দুই বছর আগে দুই মাস বয়সী ছাগলটি ২১ হাজার টাকায় কিনেছিলেন তিনি। বর্তমানে এর ওজন হয়েছে ১০৪ কেজি। ভুট্টাপাতা, কাঁঠালপাতা, বটপাতা, জগডুমুরপাতা, বননাল্লা, শেওড়াপাতা, কাঁচা ঘাস ও দানাদার খাবার খাইয়ে ছাগলটিকে বড় করেছেন। নিয়মিত শ্যাম্পু দিয়ে গোসল করানোর পর শরীরে বেলিফুল নারকেল তেলও মাখানো হয়। রাতে মাচার ওপর কম্বল বিছিয়ে ঘুমাতে দেওয়া হয় এটিকে।
হাদিস মিয়ার দাবি, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আয়োজিত করিমগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীতে ‘যমুনাপাড়ি’ জাতের ছাগলটি শ্রেষ্ঠ খাসি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল। এ জন্য তিনি নগদ অর্থ ও সনদও পেয়েছেন। এবার কোরবানির ঈদে ছাগলটি লক্ষাধিক টাকায় বিক্রি করতে চান।
স্থানীয় সমাজকর্মী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমাদের চোখের সামনেই হাদিস মিয়ার ছাগলটি বড় হয়েছে। তিনি সন্তানের মতো যত্ন নিয়ে ছাগলটিকে লালন–পালন করেছেন। ছাগলটি দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি বেশ শান্ত স্বভাবের। প্রতিদিন অনেক মানুষ এটি দেখতে আসেন। আমরা চাই, হাদিস মিয়া তাঁর পরিশ্রমের উপযুক্ত মূল্য পান।’
