শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নরসিংদীতে এএসপির ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপি নেতাকে শোকজ

নরসিংদী প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:০৩ পিএম আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:০৪ পিএম
বিএনপির সহসভাপতি আলমগীর হোসাইন
expand
বিএনপির সহসভাপতি আলমগীর হোসাইন

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন শামীমের ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপির ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করে শহর বিএনপির সহসভাপতি আলমগীর হোসাইনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বিএনপি।

বুধবার (৮ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নরসিংদী শহর বিএনপির সভাপতি একেএম গোলাম কবির কামাল।

নরসিংদী শহর বিএনপির সভাপতি একেএম গোলাম কবির কামাল ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ফারুক উদ্দিন ভূইয়া স্বাক্ষরিত নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ৪ অক্টোবর (শনিবার) শহরের আরশিনগর সিএনজি ট্যাম্পু স্ট্যান্ডে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন শামীমের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে।

পত্রে বলা হয়, “আপনি সিএনজি স্ট্যান্ডের ইজারাদার ও সিএনজি শ্রমিক সমিতির সভাপতি, পাশাপাশি শহর বিএনপির সহসভাপতি। এ হামলার ঘটনায় বিএনপির ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। আপনি শহর বিএনপির সহসভাপতি হিসেবে এ দায় এড়াতে পারেন না। তাই আপনাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করতে বলা হলো। অন্যথায় আপনার বিরুদ্ধে একতরফাভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এ বিষয়ে শহর বিএনপির সভাপতি একেএম গোলাম কবির কামাল বলেন, “আমার জানামতে আলমগীর হোসেন পৌর শহরের একজন ইজারাদার হিসেবেই টাকা তোলেন। তবে পুলিশ কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনাটি সম্পূর্ণ ন্যাক্কারজনক। এই ঘটনার কারণে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাই দলের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে আমরা লিখিতভাবে আলমগীরের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চেয়েছি এবং তদন্তের পর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, গত শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল শহরে নিয়মিত টহল দিচ্ছিল। এসময় আরশিনগর এলাকায় ভয়ভীতি দেখিয়ে যানবাহন থেকে চাঁদা তোলার খবর পান তারা।

ঘটনাস্থলে গিয়ে চাঁদা তোলার বিষয়টি দেখতে পেলে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিতে গেলে শহর বিএনপির সহসভাপতি আলমগীর হোসেনের নির্দেশে একদল লোক পুলিশের কাজে বাধা দেয় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের ওপর হামলা চালায়।

এ ঘটনায় শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সোহেল আহমেদ বাদী হয়ে নরসিংদী মডেল থানায় মামলা করেন।

মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২৫-৩০ জনকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ ও ডিবির যৌথ অভিযানে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে চারদিন পেরিয়ে গেলেও বিএনপি নেতা আলমগীরকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন